• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

দীর্ঘ সময় পর সেঞ্চুরি পেলেন শান্ত

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
সেঞ্চুরির পর ব্যাট উঁচিয়ে উদযাপন শান্তর

প্রিয়জন খেলাঃ শ্রীলঙ্কার গলে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমে দীর্ঘ ১৯ মাস পর সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে গড়লেন রেকর্ড জুটিও। ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর ঘরের মাঠে নিউজল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৫ রান করেছিলেন শান্ত। গলে অবশেষে আজ সাদা পোশাকে নিজের নামের পাশে তিন অঙ্কের সাক্ষাৎ পেলেন তিনি।

যেন পাহাড় ডিঙ্গালেন শান্ত। কত শত চাপ এড়িয়ে এই একটা সেঞ্চুরি! গত ১৯ মাস আর তার খেলা শেষ ২০ ইনিংসে কোনো সেঞ্চুরির দেখা নেই।

রানে ফেরার তাড়া তো ছিলই, সঙ্গে মাত্র ২ মাসের ব্যবধানে ২ ফরম্যাট থেকে হারিয়েছেন ক্যাপ্টেন্সি। কিছুটা জেদও হয়তো ছিল। সবকিছুর যেন জবাব দিলেন এই এক সেঞ্চুরিতে।

গলে এবারই প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেছেন শান্ত, তবে কিছুটা ভিন্নরূপে। ৩৬ টেস্টের ক্যারিয়ারে ৮ম বার নেমেছেন ৪ নম্বরে ব্যাট করতে। এবারই প্রথম এই পজিশনে পেলেন সেঞ্চুরির দেখা।

আগেরদিন জানিয়েছিলেন, নিজের ব্যাটিং পজিশন জানাতে চান না, যাতে প্রতিপক্ষকে দ্বিধায় ফেলা যায়। ক্যাপ্টেনের এমন কথা নেটিজেনদের হাসির খোরাক হয়। তাদেরকেও হয়তো জবাব দিয়েছেন শান্ত।

উইকেটের চারপাশে রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা তুলে নেন তিনি। সবমিলিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি। শান্ত’র টেস্ট ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যানটাও বিরল, যেখানে ফিফটির চেয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যাই বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।