• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) সকাল ১০টায় পবা উপজেলার পোড়াপুকুর বাজার সংলগ্ন কবি কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, পারিলা ইউনিয়ন শাখা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. নুরুজ্জামান। তিনি পারিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ১৫০ জন অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুজ্জামান বলেন : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকে। ঈদের আনন্দ থেকে যেন কোনো দরিদ্র ও অসহায় মানুষ বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ। সমাজের সকল মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের উদ্দেশ্য।”
তিনি আরও বলেন : জনগণের পাঁচটি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা এখনো সরকার গঠন করতে না পারলেও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় অতীতের মতোই কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব।
এ সময় বক্তব্য দেন পবা থানা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মুস্তাক হাবিব, তিনি বলেন : সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক কর্তব্য। তরুণদের এ ধরনের কাজে আরও এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পারিলা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি রিয়াদুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি রানা, সমাজসেবক মামুনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।