• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

নাটকীয় গ্রুপ পর্ব শেষে সুপার এইটের লড়াই শুরু

Reporter Name / ৬১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সেরা ৮ দল। গ্রুপ পর্বের উত্তেজনা, নাটকয়ীতা আর হিসাব-নিকাশ পেরিয়ে এখন শুরু হতে যাচ্ছে শিরোপা লড়াইয়ের আসল অধ্যায়।

গ্রুপ পর্বে ব্যাট-বলের দারুণ প্রতিদ্বন্দিতার পর সুপার এইটে উঠেছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ধারাবাহিক ও শক্তিশালী ৮ দল। কেউ এসেছে দাপট দেখিয়ে কেউ আবার শেষ ম্যাচে সমীকরণ মিলিয়ে।

‘এ’ গ্রুপ থেকে ভারত ইতোমধ্যেই জায়গা পাকা করেছে। বুধবার রাতে নামিবিয়াকে ১০২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে জায়গা পাকা করেছে পাকিস্তান।

‘বি’ গ্রুপে নাটকীয় সমীকরণের পর শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে উঠে গেছে শেষ আটে। বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচেই শেষ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার আশা। এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ঘটনা এটি। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলো সাবেক চ্যাম্পিয়নরা! অন্যদিকে তিন ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে জিম্বাবুয়ে নিশ্চিত করে সুপার এইট।

‘সি’ গ্রুপ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড, আর ‘ডি’ গ্রুপ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড নিশ্চিত করেছে পরের পর্ব।

সুপার এইটে দলগুলো ভাগ হয়েছে দুই গ্রুপে।  ‘এক্স’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে। ‘ওয়াই’ গ্রুপে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান।

সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ এখন প্রবেশ করেছে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অধ্যায়ে। যেখানে এক ম্যাচেই বদলে যেতে পারে ভাগ্য, আর এক ভুলেই শেষ হয়ে যেতে পারে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।