• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক রাজশাহী জেলা ও মহানগর জামায়াতের আমীরদের শপথ গ্রহণ আলিম উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ইবি তালাবায়ে আরাবিয়া বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উৎসব ‘ভিইউ সাইফিউশন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে ৪৫তম বিসিএস কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিয়ে গালিগালাজ, পরীমনি রুয়েটের নিরাপত্তার দায়িত্বে আ.লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা জামিন পেলেন পরীমনি ভগ্নস্তূপে পালিত হলো ঋত্বিকের ১০১তম জন্মবার্ষিকী

“রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুধবার সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরীর হোসনিগঞ্জ এলাকায় দুই জামায়াত কর্মীর মধ্যে ব্যাক্তিগত মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে সৃষ্ট ঘটনাকে বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে “চাঁদাবাজি নিয়ে জামায়াতের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ শিরোনামে” খবর ছড়িয়েছে যা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ বিষয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরীর আমীর মাওলানা ড. কেরামত আলী এমপি ও সেক্রেটারি মু ইমাজ উদ্দিন মন্ডল।

বিবৃতিতে তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম ও অনলাইন নিউজে ছড়িয়ে পড়া ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা নেই। ওই দুই কর্মীর মধ্যে মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে টাকা-পয়সা লেনদেন এর বিষয় ছিলো সেটা নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।

জামায়াতে ইসলামীর কেউ চাঁদাবাজি করে না কাউকে চাঁদাবাজি করতে দিবে না। চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী সর্বদা সোচ্চার এবং অবস্থান কঠোর।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।