• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

‘ভারতকে হারানো সম্ভব, প্রমাণ করল দক্ষিণ আফ্রিকা’

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়যাত্রার অবসান ঘটিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রতিযোগিতায় ভারতীয়রা টানা ১২ ম্যাচ জেতার পর হার দেখল। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রমাণ করল, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদেরকে ‘হারানো সম্ভব’। ৭৬ রানের বড় জয়ের পর অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকা আত্মহারা বা উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছে না।

এই টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচ জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথম সুপার এইট ম্যাচ জেতার পর তারা ভাবতে পারে যে তাদের এক পা সেমিফাইনালে। কিন্তু এখনই অতদূরের চিন্তা তারা করছে না। এখন পর্যন্ত তারা বুঝতে পেরেছে, ফেভারিট দলেরও পা পিছলে যেতে পারে, সেটা যে কেউ। তাই প্রতিযোগিতা যত এগিয়ে যাবে, তত বেশি মনোযোগ ধরে রাখতে হবে প্রোটিয়াদের।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার ও শীর্ষ রান সংগ্রাহক ডেভিড মিলার এলেন। ম্যাচসেরা ইনিংস খেলার পর তার প্রথম অভিব্যক্তি, ‘ভারতকে হারানো সম্ভব। তারা এখানে এসেছিল অবিশ্বাস্য দল নিয়ে। আমাদের জন্য, এমন টুর্নামেন্টে, নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা আমাদের স্বাভাবিক কাজ করব এবং সেটা শেষ করতে হবে। আমরা পরিণত একটি দল। এই দলের অনেকে একসঙ্গে খেলেছে এবং সেটি চাপের মুখে আমাদের সুবিধা দিয়েছে। এখন নিজেদের লক্ষ্যে মনোনিবেশ করতে হবে এবং নিশ্চিত করা লাগবে যেন কাজ ঠিকঠাক শেষ করতে পারি এবং আরও বেশি চাইতে হবে।’

‘আরও বেশি’ বলতে দক্ষিণ আফ্রিকা কী চায়, সেটা ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অবশ্যই, সাদা বলের ক্রিকেটের বড় একটি ট্রফি। গত ফাইনালে অল্পের জন্য হারের পর এই আকাঙ্ক্ষা আরও তীব্র হয়েছে। সম্প্রতি তারা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মেস হাতে নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত বছরের লর্ডস ফাইনালে তারা যেভাবে চাপ মোকাবিলা করে ফাইনাল জিতেছিল, সেটাই এবার আরও ভালো কিছু করার বিশ্বাস এনে দিচ্ছে। এই আসরেই তো আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি সুপার ওভারের ম্যাচে প্রমাণ দিয়েছে, তারা চাপ মোকাবিলা করতে শিখে গেছে।

গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ড, তারপর সুপার এইটে ভারত। দুটি ম্যাচেই কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুটি জয় তাদের ওপর থেকে চাপ কমিয়েছে মনে হতে পারে। কিন্তু মিলার বললেন, ‘এটা সহজ ছিল না। ভারতের বিপক্ষে খেলা সবসময় সত্যিই কঠিন। আমরা তাদের বিপক্ষে অনেক খেলেছি এবং তাদের সঙ্গেও। এই ধরনের দুটি বড় দলের বিপক্ষে যখন খেলা, তখন নিশ্চিত করতে হবে যেন আপনি দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিক কাজগুলো করেন। যখন চাপ আসবে, তখন তা মোকাবিলা করতে হবে। এটায় দলীয় প্রচেষ্টা লাগে।’

ম্যাচ জয়ে বিশেষভাবে লুঙ্গি এনগিডি ও কেশভ মহারাজের নাম উল্লেখ করলেন মিলার। মহারাজের এক ওভারে লং অনে ট্রিস্টান স্টাবস তিনবার ক্যাচ নেন। মিলার বললেন, ‘ছেলেরা সত্যিই ভালো করেছে। লুঙ্গি এনগিডি বোলিংয়ে আসার পর বদলে গেছে, অনেক স্লো বল করেছে। তাদের লাইনআপ বিপজ্জনক, যারা অনেক ছক্কা ও বাউন্ডারি হাঁকায়। এটা মেনে নিতে হবে যে তারা সত্যিই ভালো এবং নিশ্চিত করতে হবে সেটা একপাশে সরিয়ে রেখে ভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। আর কেশভ মহারাজ, সে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। চাপের পরিস্থিতিতে সে জীবনে অনেক বল করেছে। এই ছেলেরা অবিশ্বাস্য ভালো বল করেছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।