পরে পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগিতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই যাত্রীরা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুনে পুড়ে যায়, পাওয়ার কারসহ দু’টি বগি।
সেনাবাহিনী, স্থানীয় এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিটের এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো বিচ্ছিন্ন করে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ট্রেনটির ১৭টি বগিতে এক হাজার যাত্রী ছিল।





















