• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিরতির আগেই দুই গোল করে জিতলো বার্সেলোনা

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সের্হে রবার্তো এগিয়ে নেওয়ার পর রবার্তো লেভানদভস্কি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বিরতির আগেই দুই গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। বিরতির পরও এই স্কোরলাইন ধরে রেখে ম্যাচ জিতেছে জাভির দল। লা লিগায় কাদিজকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে এগিয়ে গেলো কাতালানরা।

ক্যাম্প ন্যুতে ম্যাচ জিতে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে আবারও ৮ পয়েন্ট এগিয়ে রইলো কাতালানরা। ২২ ম্যাচে ১৯ জয় ও ২ ড্রয়ে বার্সেলোনার ৫৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে কার্লোস আনচেলত্তির দল।

ম্যাচ ঘড়ির ১৬ মিনিটে আচমকা কাদিসের রজার মার্তি বার্সেলোনার জালে বল পাঠালেও গোল হয়নি, অফসাইডের কারণে। ২১ মিনিটে দারুণ সুযোগ পায় বার্সেলোনা। তবে ফেররান তরেসের কোনাকুনি শট পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। এরপর বার্সেলোনার আরও একটি চেষ্টা প্রতিহত করেন কাদিস গোলকিপার। বিরতিতে যাওয়ার আগে তিন মিনিটের মধ্যে গোল দুটি পায় স্বাগতিকরা।

৪৩তম মিনিটে তরেসের ক্রসে লেভানদভস্কির ডাইভিং হেড গোললাইন থেকে ফেরান এক ডিফেন্ডার। ফিরতি বল জালে পাঠান রবের্তো।

পরের গোলে অবদান রাখেন এই স্প্যানিয়ার্ড। বিরতি যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তার পাস ডি-বক্সের মাথায় পেয়ে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন লেভানদোভস্কি। ৫৭তম মিনিটে আরেকটি গোলের সুযোগ পান লেভানদোভস্কি। গাভির ক্রসে তার ডান পায়ের ভলিতে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।

শেষের দিকে কাদিজের দুর্ভাগ্য। ৭৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ক্রিস রামোসের শটে বল জার্মান গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। এরপর ফরোয়ার্ড আন্থনি রুবেনের প্রচেষ্টাও পোস্টে লাগলে হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।