• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

কে হবেন টুর্নামেন্ট সেরা

Reporter Name / ১৪৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

বিপিএলের নবম আসরের পর্দা নামছে আজ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের মধ্যকার ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে টুর্নামেন্ট। পর্দা নামার আগেই আলোচনায় এসেছে কার হাতে ওঠবে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার। এবারো তালিকায় এগিয়ে আছেন সাকিব আল হাসান। তার ঘাড়ে গরম নি:শ্বাস ফেলছেন নাসির হোসেন। 

সাকিব আল হাসান আগের বিপিএলের আট আসরের মধ্যে চারবার সেরা হয়েছেন। ফরচুন বরিশালের এই অধিনায়ক এবারো ফেভারিটের দৌড়ে আছেন বলে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া সেরার দৌড়ে আছেন সিলেটের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত ও তৌহিদ হৃদয়। এদিকে ঢাকা ডমিনেটর্সকে নেতৃত্ব দেওয়া নাসির হোসেনও তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা জিইয়ে রেখেছেন। 

গতবার টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছিলেন সাকিব, সেবার তিনি দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন। এবার ফাইনালের মঞ্চে না থাকলেও সাকিবকেই সেরা দাবিদার ভাবা হচ্ছে। তিনি এবার ৩৭৫ রান করেছেন এবং ১৭৪ এর বেশি স্ট্রাইকরেট। এছাড়া তার ঝুলিতে রয়েছে ১০টি উইকেট। 

অপরদিকে বিপিএলে প্রত্যাবর্তনের মঞ্চটা রাঙিয়েছেন নাসির হোসেন। দল ভালো করতে না পারলেও ২২৫ রানের পাশাপাশি ১৬টি উইকেট শিকার করেছেন। 

তৌহিদ হৃদয় আর নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাট হাতে মাঠ মাতিয়েছেন। টুর্নামেন্টের সর্বাধিক রান সংগ্রাহক শান্ত (৪৫২ রান)। এদিকে ১৪১ স্ট্রাইক রেটে হৃদয় করেছেন ৪০৩ রান। টুর্নামেন্ট সেরা না হলেও সেরা ব্যাটারের দৌড়টা সীমাবদ্ধ তাদের মধ্যেই।

তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ ১৭ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা উইকেট সংগ্রাহক। তার দল রংপুর রাইডার্স টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও তানভীর ইসলামের সুযোগ আছে তাকে টপকে যাবার। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স স্পিনারের শিকার ১৬টি উইকেট।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।