• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মাশরাফির চোখে সাকিব ‘জিনিয়াস, অতুলনীয়’

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

তিন নম্বরে নেমে সাহসী ব্যাটিং, বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্ব ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের ফাইনালে ওঠা ছাপিয়ে আলোচনায় মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটিংয়ে না নামার জন্য প্রশ্নবিদ্ধ সাকিব আল হাসান। আলোচনার তীব্রতা এতটাই যে সরাসরি এটি নিয়ে প্রশ্নও করা হয় মাশরাফিকে। তিনি অবশ্য পরিষ্কার বলে দিলেন, সাকিবকে নিয়ে প্রশ্নের কোনো অবকাশই নেই।

সাকিবের ব্যাটিংয়ে না নামার ঘটনা রোববার বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে। ফাইনালের পথে টিকে থাকার লড়াইয়ের সেই ম্যাচে ফরচুন বরিশালের হয়ে তিনে ব্যাট করেন মাহমুদউল্লাহ, চারে করিম জানাত। এমনকি পাঁচে নামানো হয়। এদিনই আসরে প্রথম খেলতে নামা ভানুকা রাজাপাকসেকে। এবারের আসরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী মেলে ধরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সাকিব ব্যাটিংয়েই নামেননি।

একসময় বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগালেও পরে খেই হারিয়ে যথেষ্ট দ্রুত রান তুলতে পারেনি বরিশাল। পরে রংপুর রাইডার্সের কাছে হেরে তারা ছিটকে যায় টুর্নামেন্ট থেকে।

সেদিনই প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আচমকা পাঁচ নম্বরে উঠে এসে ১৬ বলে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন মাশরাফি। তার দল সিলেট স্ট্রাইকার্স যদিও পেরে ওঠেনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঙ্গে। মঙ্গলবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আরও চমক দেখিয়ে মাশরাফি ব্যাটিংয়ে নেমে যান তিন নম্বরে। এবারও তার ১৬ বলে ২৮ রানের ছোট্ট ঝড় রানের গতি বাড়িয়ে দলকে এগিয়ে নেয় বড় স্কোরের পথে।

সিলেট অধিনায়ক কোনো তুলনায় না গিয়ে প্রশংসায় ভাসান বরিশাল অধিনায়ককে। বলেন, সফল হওয়ার পরে আসলে সফল বলাটা খুব সহজ। আমিও ঝুঁকি নিয়েছি, আমার ব্যাটসম্যানদের নিরাপদ রাখতে চেয়েছি। আমিই ঝুঁকি নিয়েছি। আসলে কোনো ম্যাজিক নেই।

তিনি আরও বলেন, সাকিব হলো জিনিয়াস। সে অতুলনীয় একজন খেলোয়াড়। ওর তুলনাই হয় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শীর্ষ অলরাউন্ডার, বাংলাদেশের ইতিহাসের শীর্ষ ক্রিকেটার, ওর সঙ্গে কারও তুলনা হয় না। ও জিনিয়াস।

ম্যাস আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টপ অলরাউন্ডার সাকিব, বাংলাদেশের ইতিহাসে টপ খেলোয়াড়। ওর সঙ্গে কারও তুলনা না।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।