• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

কুমিল্লার সঙ্গে ফাইনালে রংপুর নাকি সিলেট ?

Reporter Name / ১৪৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নবম আসর শেষ প্রান্তে। আর দুটি ম্যাচ পরই নির্ধারণ হবে এবারের চ্যাম্পিয়ন কারা? ইতোমধ্যে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রতিপক্ষ কে, তা জানা যাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যার ম্যাচ শেষে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিরপুরে মুখোমুখি হচ্ছে রংপুর রাইডার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্স।

সিলেট এবারের আসরে উড়ছিল। লিগ পর্বে তারা মাত্র তিন ম্যাচ হেরেছে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে তারা পরাজিত হয় কুমিল্লার কাছে। আর এলিমিনেটরে ফরচুন বরিশালকে বিদায় করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠেছে রংপুর।

২০১৭ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রংপুর। ওই একবারই ফাইনাল খেলেছিল তারা, সেবার নেতৃত্বে ছিলেন মাশরাফি। আর ২০১৩ সালে তৃতীয় হওয়া সিলেটের সেরা সাফল্য। এর আগে পরে আর কখনো প্লে অফে খেলা হয়নি সিলেটের। কিন্তু এবার তারা দুর্দান্ত। আধিপত্য দেখিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে কোয়ালিফায়ার খেলে মাশরাফি মোর্ত্তজার দল।

বিপিএলে ঢাকা, কুমিল্লা ও রংপুরের হয়ে মোট চারটি শিরোপা জয়ী মাশরাফির নেতৃত্বে সিলেট এবার দুর্বার। তারা লিগে মাত্র তিন ম্যাচ হেরেছে, দুটিই এই রংপুরের কাছে। আর লিগে কুমিল্লার কাছে হারের পর প্লে অফেও তাদের কাছে একই পরিণতি।

প্রথম পর্বে রংপুর দুবারের দেখায় দুটিতেই জিতে নিশ্চিতভাবে আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে থাকবে এই ম্যাচে। তবে প্রতিপক্ষ দলের নেতৃত্বে যখন মাশরাফি, তখন কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। কুমিল্লার কাছে হারা সিলেট এবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে রংপুরের মুখোমুখি হবে। পঞ্চম বিপিএল শিরোপা হাতছানি দিয়ে ডাকছে মাশরাফিকে। এ সুযোগ তো নষ্ট করার নয়। 

এখন দেখার অপেক্ষা রংপুরের বিপক্ষে সিলেট জয়ে ফিরে প্রথম ফাইনালে উঠতে পারে কিনা! নাকি মাশরাফিদের হতাশ করে রংপুর পেয়ে যাবে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের সুযোগ?


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।