• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

সৌদি আরবের বিপক্ষে হার সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত ছিল: মেসি

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩

আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির মনে এখন স্বস্তির পরশ। বিশ্ব জয়ের মুকুট এখন তার মাথায়। মাস দুয়েক আগেও তো পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ফিরে গেলেন অতীতে। শেয়ার করলেন কাতার বিশ্বকাপে তার সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তটি।

টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে, ফেভারিটের তকমা গায়ে সেঁটে কাতারে পা রেখেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই বড় ঘটনের শিকার হন আলবিসেলেস্তেরা। শক্তি, সামর্থ্য ও র‌্যাংকিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা সৌদি আরবের বিপক্ষে হেরে বসে দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ মিনিটে দুই গোল খেয়ে।

এতে গ্রুপপর্ব থেকেই ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে যায় তারা। গ্রুপের বাকি দুই ম্যাচ হয়ে যায় বাঁচা-মরার লড়াই। সেখানে প্রথম পরীক্ষায় মেক্সিকোর বিপক্ষে কিছুতেই মিলছিল না গোল। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে অসাধারণ এক গোল করে সুর বেঁধে দেন মেসি। এর পর একে একে সব বাধা পেরিয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তারা ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে।

সেই সাফল্যের প্রায় মাস দেড়েক পর আর্জেন্টিনার রেডিও উরবাঁ প্লেকে সোমবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, সব বাধা পেরিয়ে যাওয়ার বিশ্বাস তার ছিল।

তিনি বলেন, সৌদি আরবের বিপক্ষে হার সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত ছিল। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি সবচেয়ে কঠিন ছিল, কারণ আমরা ঝুঁকির মধ্যে ছিলাম। এটি এমন একটি ম্যাচ ছিল, যেখানে আমরা সবচেয়ে খারাপ খেলেছি…। তবে আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, আমরা উতরে যাব। আমাদের দলটি বেশ শক্তিশালী ছিল, তা না থাকলে আমার মনে হয় এই পরিস্থিতি অতিক্রম করা খুব কঠিন হতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।