• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

পরিণয়ে রূপ দিতে হলে নেইমারকে জিততে হবে বিশ্বকাপ

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

ফুটবলের সঙ্গে নেইমারের প্রেম সেই শৈশব থেকে। নেইমার নিজেই তো বলেছেন, ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে ঈর্ষাপরায়ণ মেয়ে, বঞ্চিত হলে সেও করবে পাল্টা আঘাত!

আজ সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে কাতার বিশ্বকাপ শুরু করবে ব্রাজিল। পরীক্ষা শুরু হবে নেইমারের। সাফল্য, ব্যর্থতার হিসাব অবশ্য তোলা থাকবে সময়ের হাতে। কিন্তু নেইমার জানেন, বিশ্বকাপ জয়ের মধ্যে লুকিয়ে তার ফুটবল প্রেমের সফল পরিণতি।

এশিয়া থেকে সবশেষ শিরোপা নিয়ে ঘরে ফেরা ব্রাজিলের; সেই ২০০২ সালে কোরিয়া-জাপানের আসরে। ২০০৬-এ ‘দা ফেনোমেনোন’ রোনালদো-রোনালদিনহোরা পারেননি সাফল্যের রাশ টেনে নিতে। দক্ষিণ আফ্রিকার পরের আসরে রবিনিয়ো-ফাবিয়ানোরা ব্যর্থ। ২০১৪ সালে ব্রাজিল সাওয়ার হলো নেইমারের কাঁধে।

ফুটবল  ও নেইমার জুটির তখন দারুণ সুসময়। ফরতালেজায় কলম্বিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্ত সব কিছু চলছিল ঠিকঠাক।

ফুটবলের সঙ্গে তার প্রেম ফের জমে উঠেছে। পিএসজির হয়ে দারুণ ছন্দে আছেন ৩০ বছর বয়সি এ ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে খেলা ২০ ম্যাচে ১৫ গোল, ১২টি অ্যাসিস্ট। মানে স্কোরিংয়ের পাশাপাশি আক্রমণের সুরও বেঁধে দিচ্ছেন নিয়মিত। পিএসজি সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে ‘বাহাসের প্রসঙ্গ’ বাদ দিলে সব কিছু আছে ঠিকঠাক।

ফুটবলের প্রতি তার নিবেদন, নিষ্ঠা নিয়ে প্রশ্ন নেই। সুন্দর ফুটবলের সুর তার প্রতিটি মুভে, ড্রিবলিংয়ে, পাসে, শটে— এমনকি হেডেও। যদিও প্রতিপক্ষের আলতো ট্যাকলে লুটিয়ে পড়ার কারণে অনেকে কটাক্ষ করে ‘নাটুকে’ বলে, কিন্তু তাকে আটকাতে প্রতিপক্ষের প্রাণান্ত চেষ্টা, ফাউল করার পরিসংখ্যানের খবর হয়তো অনেকে রাখেন না।

২০২২-২৩ মৌসুমে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৬৬ ফাউলের শিকার হওয়া খেলোয়াড়টি কিন্তু নেইমার। রাশিয়া বিশ্বকাপে তাকে দমাতে পাঁচ ম্যাচে ফাউল করা হয় ২৬ বার!

এবারের বিশ্বকাপের গল্পটা সাফল্যের রঙ-তুলিতে আঁকতে মুখিয়ে নেইমার। যদিও তিনি নিশ্চুপ, গণমাধ্যম থেকে দূরে। কিন্তু আল আরাবি স্পোর্টস ক্লাবের ভেন্যুতে নেওয়া প্রস্তুতিতে ঠিকই দেখিয়েছেন বল তার কথা শুনছে ‘কিপি-আপি’তে, শট নেওয়ার ও পাস দেওয়ার সময়। ড্রিবলিংয়ের সময় তার পা আর বল যেন গল্প করছে ফিস ফিস করে।

‘প্রেম’ টিকিয়ে রাখতে নেইমারকে এই গল্প চালিয়ে যেতে হবে। পরিণয়ে রূপ দিতে হলে জিততে হবে বিশ্বকাপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।