• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মেজাজ হারালেন তামিম

Reporter Name / ১৩২ Time View
Update : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
চারে ব্যাট করা নিয়ে প্রশ্নে মেজাজ হারালেন তামিম
চারে ব্যাট করা নিয়ে প্রশ্নে মেজাজ হারালেন তামিম

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগে নতুন এক ভাবনা প্রকাশ্যে এনেছেন হেড কোচ জেমি সিডন্স।

দলের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালকে মিডল অর্ডারে তথা চার নম্বরে ব্যাটিং করাতে চান তিনি।

অনেকের কাছে এ পরিকল্পনা অদ্ভূত বা হাস্যকর লাগলেও সিডন্সের এই ভাবনাটা সুদূরপ্রসারী।  বাংলাদেশ দলে আরেকজন ওপেনার খুঁজে বের করতেই এমন পরিকল্পনা নিতে চাইছেন প্রোটিয়া কোচ।

এরপরই এ নিয়ে প্রশ্ন শুরু হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটে।

তবে সিডন্সের এ ভাবনাকে বাস্তবায়নের অনেক আগেই একে ধূলিসাৎ করে দিয়েছেন তামিম নিজেই।

এমনকি এ ধরনের প্রশ্নকারীকে স্টুপিড বলেছেন তিনি।

রোববার ঢাকার একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে তামিম ইকবাল সেই একই প্রশ্নের সম্মুখীন হন।

জবাবে যেন কিছুটা মেজাজ হারালেন তামিম। বললেন, ‘আপনাদের কী মনে হয়, চার নম্বর নাকি ওপেন করা ভালো? যে প্রশ্ন করেছেন তার মাথায় কি আছে না আছে সেটা আমি জানি না। কিন্তু প্রশ্নটা ছিল খুবই স্টুপিড…। চারে ব্যাটিং করার কোনো কারণই খুঁজে পাই না। ১৭ বছর ধরে আমি ওপেনিংয়ে ভালোই করছি।’

এরই মধ্যে প্রসঙ্গ পাল্টে প্রশ্ন উঠে সাকিব আল হাসানের টেস্ট অধিনায়কত্ব ফিরে পাওয়ার বিষয়ে।

আর সবার মতো তামিমও বন্ধু সাকিবের গুনগান গাইলেন। তিনি বলেন, সাকিবের অধিনায়কত্বে দুবার খেলেছি। তার খুব ভালো ক্রিকেটীয় জ্ঞান আছে।’

চারে ব্যাট করা প্রসঙ্গে এর আগেও এ প্রশ্নের কড়া জবাব দিয়েছিলেন তামিম।

সম্প্রতি সিডন্স বলেছিলেন, ‘তামিম চার কিংবা পাঁচে ব্যাট করলে ভালো হয়। তার আগে আরেকজন ওপেনার খুঁজে বের করতে হবে। তামিম চারে নামলে দারুণ হবে। লিটন ছয়ে ঠিক আছে। মুশফিককে ছাড়া অবশ্যই কাজটা আরও কঠিন হবে। তার জায়গায় ইয়াসির আলী খেলবে। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ অফ্রিকায় সে ভালো করেছে। সে সুযোগ কীভাবে কাজে লাগায় সেটিই দেখার।’

জেমি সিডন্সের কাছ থেকে এমন কথা শোনার পর যারপরনাই অবাক হন তামিম।

বাংলাদেশের একটি জাতীয় পত্রিকাকে সাক্ষাৎকারে ওয়ানডে অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, মিডল অর্ডারে ব্যাট করার কোনো ইচ্ছাই তার মধ্যে নেই। দূরতম ভবিষ্যতেও এমন কোনো ভাবনা তার মধ্যে কাজ করছে না।

তবে বিষয়টি নিয়ে সিডন্স বা বিসিবির কারো সঙ্গে আলাপ হয়নি বলেও জানান তামিম।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।