• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিলেন মার্টিনেজ

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিলেন মার্টিনেজ
আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিলেন মার্টিনেজ

ম্যাচের আগে টাইব্রেকার এড়াতে চেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। বলেছিলেন, কলম্বিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে যাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। কিন্তু ভাগ্যের লিখন কি আর যায় খণ্ডন? প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও রেফারির শেষ বাঁশিতে ১-১ গোলে সেই অমীমাংসিত অবস্থায় থামে ম্যাচ।

কনমেবলের (দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন) নিয়মের ফাঁদে পড়ে নির্ধারিত সময় শেষে সরাসরি চলে যেতে হয় টাইব্রেকারে। কারণ অতিরিক্ত ৩০ মিনিট যুক্ত হওয়ার নিয়ম নেই কোপার নকআউটপর্ব থেকে। এমন নিয়মকে দুর্ভাগ্য বলে হয়তো মাথায় হাত দিয়ে প্রার্থনায় বসেছিলেন স্কালোনি। কিন্তু পরে যা ঘটল তাতে, টাইব্রেকারকে সৌভাগ্যই বলতে হবে নিশ্চিত।

বুধবার সকাল ৭টায় ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৩-২ স্কোরে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। আর এ জয়ের একমাত্র নায়ক আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। মহানায়ক বললেও অত্যুক্তি হবে না।

আন্তর্জাতিক সব গণমাধ্যমে ইতোমধ্যে শিরোনাম হয়েছে— আর্জেন্টিনাকে ফাইনালের টিকিট কেটে দিলেন মার্টিনেজ। হওয়ারই কথা। পেনাল্টি শুটআউটে কলম্বিয়ার পাঁচ শটের তিনটিই ঠেকিয়ে দিয়েছেন তিনি। ডি পল অবিবেচকের মতো শট আকাশে তুলে না দিলে হয়তো এতটা বীরত্ব দেখাতে হতো না মার্টিনেজকে।

টাইব্রেকারে কলম্বিয়ার হুয়ান কুয়াদ্রাদো কুয়াদরাদোর প্রথম শট বাঁচাতে পারেননি মার্টিজেন। মেসি গোল করে তা শোধ করে দেন। অর্থাৎ স্কোর দাঁড়ায় ১-১। এর পর দাভিনসন সানচেস ও ইয়েরি মিনার পরের দুটি শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

মিগুয়েল বোরহার বুলেট গতির শট কলম্বিয়ার জাল খুঁজে নেয়। এ সময় স্কোর হয় ৩-২। শট নিতে আসেন এদউইন কারদোনা। এ বেলায়ও কারিশম্যাটিক পারফরম্যান্স দেখান মার্টিনেজ। কারদোনার শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন তিনি। ফলে ৩-২ স্কোরে জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। টিকিট কাটে ফাইনালের।

জয়ের আনন্দে দৌড় দেন মার্টিনেজ। পিছু পিছু ছুটে যান অধিনায়ক মেসি। দৌড়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন মেসি-মারিয়- ডি পলসহ সবাই। কোপার ফাইনালে ওঠার আনন্দের মধ্যমনি হয়ে যান মার্টিনেজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।