• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

সুনীলের গোলে বাংলাদেশের হার

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
সুনীলের গোলে বাংলাদেশের হার
সুনীলের গোলে বাংলাদেশের হার

ভারতীয় অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর জোড়া গোলে নীল বাংলাদেশ দল। ৭৯ মিনিটে বাংলাদেশি গোলকিপারকে ডস দিয়ে গোল করেন ভারতীয় অধিনায়ক।

এই জয়ে এশিয়ান কাপ কোয়ালিফাইংয়ের পরের রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করল সুনীল ছেত্রীর নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ফুটবল দল।

বাছাই পর্বের ‘ই’ গ্রুপে সাত ম্যাচে এটি বাংলাদেশের পঞ্চম হার; দুই পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে পড়ে থাকল জামাল ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন দলটি। অন্যদিকে ভারত সাত ম্যাচে এক জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ দলের মধ্যে তৃতীয় পজিশনে উঠে এসেছে।

প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৯ মিনিটে হেডে গোল নিশ্চিত করেন ভারতীয় অধিনায়ক। এরপর ৯২ মিনিটে গোল করেন ছেত্রী।

কাতারের রাজধানী দোহার জসিম বিন হামাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠি হয়।

খেলার প্রায় পুরোটা সময় ভরতের দখলে ছিল বল। ৭৩ শতাংশ বল দখলে ছিল ভারতের। বাংলাদেশের দখলে ছিল মাত্র ২৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ শট নিতে পেরেছে ৪টি, ভারত নিয়েছে ১৬টি। বাংলাদেশ ২টি কর্নার পায়। ভারত পেয়েছে ৯টি।

বাংলাদেশ প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও দুটি হলুদ কার্ড দেখে ২টি। প্রতিপক্ষ ভারত প্রথমার্ধে একটি কার্ডও দেখেনি। দ্বিতীয়ার্ধে দেখে একটি।

এই ম্যাচের আগে ভারত-বাংলাদেশ ২৯ ম্যাচে মুখোমুখি হয়। অতীতের সেই সাক্ষাতে ভারত জিতেছে ১৫টিতে আর বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র দুই ম্যাচে। ড্র হয়েছে বাকি ১২টি ম্যাচ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।