• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

চিলে কান নিয়ে গেছে শুনেই চিলের পিছে দৌড়াবেন না: দীপু মনি

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : শনিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩

পাঠ্যপুস্তক না খুলে দেখেই সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গুজবে কান না দেওয়ার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় আনোয়ার সিটি ম্যাজিক আইল্যান্ড নামের একটি রিসোর্টে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, আপনারা যারা আমার মন্ত্রণালয়ের আছেন, তারাও সবাই বইটা খুলে দেখেন নাই। যা যা এদিক-সেদিক শুনছেন, সবাই ফিসফিস করে আশপাশের আত্মীয়স্বজন সবাইকে জিজ্ঞেস করেন, আসলেই কি এটা লিখছে, এটাতো ভালো কাজ হয় নাই! বলেন কিনা?  আসলে বইটা কেউ খুলে দেখেন নাই। অথচ বইটা দেখা সবচেয়ে সোজা। বাড়ির আশপাশে স্কুল আছে, আপনাদের সন্তানরা সেখানে পড়াশুনা করছে, আপনারা সেখানে গিয়ে দেখুন। তাছাড়া মোবাইলে ইন্টানেটের মাধ্যমে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে গেলেই বই পাবেন, বইয়ের পুরোটা আছে। একটু খুলে দেখে নেবেন, যেই যেই পাতায় যেসব ভুল আছে বলতেছে, আদৌ তা আছে কিনা? খুঁজে দেখবেন।

দীপু মনি বলেন, আমি মনে করি একজন ঈমানদার মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব সত্যতা যাচাই করে তারপরে সিদ্ধান্ত নেওয়া। অতএব গুজবে কান দেবেন না। চিলে কান নিয়ে গেছে শুনেই চিলের পিছে দৌড়াবেন না। আগে কানে হাত দিয়ে দেখুন কান আছে কি না।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু আরও বলেন, ভুল হয়ে থাকলে স্বীকার করে নেব। আমরা যারা কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম তারা কেউ ফেরেশতা নই, সবাই মানুষ। আমরা সতর্কতার সঙ্গে কাজ করেছি, তবুও ভুল হতে পারে। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। ভুল হলে সংশোধন করব, কিন্তু যা বলা হচ্ছে তা সবগুলোই মিথ্যা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন শাখা) বেলায়েত হোসেন তালুকদার, কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমেনা মারজান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ঈসমাইল হোসেন প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।