• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে একটি কারিগরি কলেজের নিয়োগ পরীক্ষার নথি ও খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত নেতা জামাল উদ্দীন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, সেদিন হরিপুর মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজে ‘আয়া’ ও ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মী’ পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আটজন প্রার্থী অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে ফল যাচাই ও মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কলেজের অধ্যক্ষ ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরা ইউএনও রায়হানুল ইসলামের কক্ষে বসেছিলেন।

কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, পরীক্ষা শেষে তারা ইউএনওর কক্ষে বসে নথিপত্র যাচাই করছিলেন। এ সময় বিএনপি নেতা জামাল উদ্দীন ও তার অনুসারীরা কক্ষে ঢুকে হামলা চালিয়ে নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পরীক্ষার খাতা জোর করে নিয়ে যান। পরে তারা থানায় গিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউএনও রায়হানুল ইসলাম বলেন, নিয়ম মেনে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল। নিরীক্ষক দল তার কক্ষে বসে মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও তার কয়েকজন অনুসারী কক্ষে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং জোরপূর্বক পরীক্ষার খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যান। এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন। তিনি বলেন, তারা কোনো কাগজপত্র ছিনিয়ে নেননি। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগের লোকজনের নিয়ন্ত্রণে এবং সেখানে তাদের কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে ইউএনও তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। উল্টো ইউএনও তাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হাকিম আজাদ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।