• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি

Reporter Name / ২২ Time View
Update : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা আগেই জানিয়েছিলেন ড. নিয়াজ আহমদ খান। অবশেষে আজ (রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে।

উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, সকালে মন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেছেন। তবে এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হলে পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক নানা কারণ বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিয়ম অনুসারেই এখন পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে নির্বাচনের পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও ইতিবাচক অবস্থায় পৌঁছেছে। সে প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

তখন তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যেন কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সে জন্য প্রয়োজন হলে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছু সময় দায়িত্বে থাকার বিষয়টিও বিবেচনা করতে প্রস্তুত আছেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক সরকার চাইলে তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাজানোর সুযোগ থাকা উচিত। প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং দ্রুত ডেপুটেশন শেষ করে নিজ বিভাগের শিক্ষকতায় ফিরে যেতে চান বলেও জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।