• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বই-খাতার মূল্য বৃদ্ধি, ভরা মৌসুমেও মিল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না কাগজ

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২

কয়েক মাস ধরেই বাড়তি সব ধরনের কাগজের দাম। এর প্রভাবে বেড়েছে বই-খাতার মূল্যও। কয়েকদিন পরই নতুন শিক্ষাবছর। শিক্ষাবিদরা বলছেন, এখন থেকেই পদক্ষেপ না নিলে ব্যাহত হবে শিক্ষা কার্যক্রম। আর এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। এই যেমন, মিরপুরের রূপনগর বস্তিতে বসবাস করেন রিকশাচালক সাইদুল ইসলাম। সারা দিনের খাটাখাটুনির পর সন্তানকে নিয়ে তিনি বসেন লেখাপড়া করাতে। স্বপ্ন দেখেন ছেলেকে শিক্ষিত করার। একই স্বপ্ন রয়েছে পাশের ঘরের রাহেলা বেগমের চোখেও। যত কষ্টই হোক লেখা পড়া শিখিয়ে প্রতিষ্ঠিত করবেন ছেলেকে।

তবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাজারে যেখানে সংসার চালানোই দায়। সেখানে নতুন করে সংকট তৈরি করেছে বই-খাতাসহ শিক্ষা উপকরণের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি। এসব মানুষদের মনে শঙ্কা মাঝ পথে না বন্ধ হয়ে যায় সন্তানদের লেখাপড়া। এ চিন্তা শুধু নিম্নবিত্তেরই নয়, কপালে ভাজ মধ্যবিত্তেরও।

কাগজের অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই। তবে সব রেকর্ড ভেঙেছে অক্টোবর মাসে। পাইকাররা জানান, ভরা মৌসুমেও মিল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না কাগজ। আর খুচরা দোকানিরা বলছেন তাদের বিক্রি কমেছে অর্ধেকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, এভাবে শিক্ষা উপকরণের দাম বাড়তে থাকলে শিক্ষায় পিছিয়ে পড়বে একটি বড় জনগোষ্ঠী। জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষে চাহিদা বাড়বে সবধরনের কাগজের। বিশেষজ্ঞের আশঙ্কা, পর্যাপ্ত যোগান ও দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, বড় ক্ষতির মুখে পড়বে শিক্ষাখাত।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।