• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

স্মার্টফোনে কতগুলো অ্যাপ ব্যবহার করা ভালো?

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

স্মার্টফোনের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ আমাদের দৈনন্দিন কাজকে সহজ করেছে। বর্তমানে প্রায় সবকিছুর জন্যই অ্যাপ আছে। ব্যবহারকারীভেদে অ্যাপ ডাউনলোডে ভিন্নতা রয়েছে। কারও পছন্দ সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপ, কারও বিনোদনের অ্যাপ, আবার কেউবা পছন্দ করেন গেমিং অ্যাপ।

কোনও ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনে অনেক বেশি অ্যাপ থাকলে একসময় দেখা যায়, সেই স্মার্টফোনটি স্লো (ধীরগতি) হয়ে পড়ে, ঠিকমতো প্রয়োজনীয় কাজ করা যায় না। এ পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করতে হয়। এক্ষেত্রে এমন সব অ্যাপ আনইনস্টল করা প্রয়োজন যেগুলো সবসময়ই চলতে থাকে। অর্থাৎ, আপনি একটি অ্যাপ না চালালেও যে অ্যাপটি নিজে থেকেই বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে এমন অ্যাপ আগে আনইনস্টল করা ভালো।

অনেকে জিজ্ঞেস করেন, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কী পরিমাণ অ্যাপ থাকা ভালো? আসলে এই প্রশ্নের উত্তর সরাসরি এভাবে দেওয়ার সুযোগ নেই। আপনি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কী পরিমাণ অ্যাপ ডাউনলোড বা ইনস্টল করেছেন সেটা গুরুত্বপুর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো- যে অ্যাপগুলো ইনস্টল করা হয়েছে সেগুলোর আকার কত বড় এবং কতটা জটিল তাদের কার্যপ্রক্রিয়া। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে- ফেসবুক অ্যাপ বা হাই কোয়ালিটি গেমিং অ্যাপ একটি নোট টেকিং অ্যাপের চেয়ে অনেক বেশি জায়গা দখল করবে। পাশাপাশি সেগুলোর কার্যপ্রক্রিয়াও জটিল।
কাজেই ঠিক কতটি অ্যাপ আপনি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে রাখতে পারবেন বা কতটি রাখা ভালো এমন কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। মনে রাখতে হবে, যে কয়টি অ্যাপ রাখলে আপনার স্মার্টফোন ভালোভাবে চলে, গতি হারায় না ঠিক ততটি অ্যাপই রাখা উচিৎ। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, কোনও অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের মেমরির অন্তত ১০ শতাংশ খালি রাখতে হবে। তাহলে সেই ডিভাইস ভালোভাবে কাজ করবে। ফলে মেমরির অন্তত ১০ শতাংশ খালি রেখে আপনি যত ইচ্ছা অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্য কোনও নির্দিষ্ট অ্যাপ ইনস্টলের পর স্মার্টফোন স্লো হয়ে গেলে সেটি আনইনস্টল করতে হবে।

আইফোনের ক্ষেত্রে এই হিসাব প্রযোজ্য হলেও সেখানে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। আপনি আপনার আইফোনে শত শত অ্যাপ ইনস্টল করতে পারবেন। বিশেষজ্ঞদের মত হলো- আইফোনে ৫০০ মেগাবাইট থেকে ১ গিগাবাইট জায়গা খালি রেখে অ্যাপ ব্যবহার করা উচিত। এতে আইফোন খুব ভালোভাবে কাজ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।