• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আকাশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ

Reporter Name / ১৫৭ Time View
Update : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে ভরসার পাত্র বলা হয়ে থাকে মুশফিকুর রহিমকে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক। তারা আবার ভায়রা ভাইও। দুজনেই এবার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তি করেছেন দেশের একমাত্র বৈধ ডিরেক্ট টু হোম (ডিটিএইচ) সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আকাশের সঙ্গে।

আকাশের সঙ্গে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের চুক্তিটি দুই বছরের। ফেসবুকেও বিষয়টি ঘোষণা করে আকাশ ডিটিএইচ। তারা বলে, শুরু হলো নতুন ইনিংস। আকাশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যোগ দিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবলখ্যাত মুশফিকুর রহিম এবং দ্য সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অভিনন্দন টাইগারস! আপনাদেরকে পাশে পেয়ে আমরা আরও অনুপ্রাণিত, আরও উজ্জীবিত। আকাশের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মুহাম্মদ আবুল খায়ের চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, দর্শনের সঙ্গে একাত্ম হয়েই চুক্তিতে সই করেছেন দুজন। সেরা মান ও সেবা নিশ্চিত করতে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে আকাশ।

দেশের বিদ্যমান টিভি সংযোগ প্রযুক্তির মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছবি, পরিচ্ছন্ন শব্দ ও ঝামেলাহীন সেবা দিচ্ছে আকাশ। আবুল খায়ের আরও জানান, দেশের যে কোনো অঞ্চলে উচ্চমানের সেবা সহজে দিচ্ছে আকাশ। আমাদের দর্শন, লক্ষ্য ও অর্জনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেই মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক আমাদের সঙ্গে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
দুই বছরের চুক্তিতে স্বাক্ষর করে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা যেমন একজন খেলোয়াড়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, একইভাবে সব এলাকার দর্শকদের জন্য সমানভাবে উচ্চমানের টিভি দেখার অভিজ্ঞতা দেওয়াটাও খুবই দরকার। আকাশ গ্রাহকরা সেই ভালো অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন। এটা জেনে আমি বেশ আনন্দিত।

মুশফিক বলেন, দেশে টিভি সংযোগ সেবাগুলোর মধ্যে গুণে ও মানে আকাশই সেরা। ছবির মান এবং শব্দ যত পরিচ্ছন্ন হবে, খেলাটা তত বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠবে দর্শকদের জন্য। আকাশ এক্ষেত্রেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। পরে নিজেদের ফেসবুক পেজেই আকাশের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারটি জানিয়েছেন দুই ক্রিকেটার। মুশফিক বলেন, দেশের একমাত্র বৈধ ডিটিএইচ সার্ভিস আকাশের সাথে পার্টনারশিপে শুরু হলো আমার নতুন ইনিংস। শুধুমাত্র আকাশে পাবেন টিভি দেখার ট্রু এইচডি এক্সপেরিয়েন্স। আজই চলে আসুন আকাশের ঝকঝকে টিভি দেখার নতুন দুনিয়ায়। রিয়াদও প্রায় একই ধরনের কথা বলেন ফেসবুক পোস্টে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।