• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

সিরাজগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সেনাবাহিনীর টহল পিকআপের সংঘর্ষে ২ সেনা সদস্য নিহত

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১

সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম মহাসড়কের কোনাবাড়ীতে সেনাবাহিনীর পিকআপের সঙ্গে সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে দুই সেনা সদস্য নিহত এবং তিন জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত ৮টার দিকে সেনা সদস্যরা বঙ্গবন্ধু সেতুর নিরাপত্তার কাজে টহলরত থাকাবস্থায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেনাসদস্যরা হলেন, রায়গঞ্জের নওদাশালুয়া মোজাফফরের ছেলে কর্পোরাল মেহেদী (৩৬) এবং রাজশাহীর পুঠিয়া থানার ঝলমলিয়ার শ্যামল দত্তের ছেলে সেনা সদস্য দীপঙ্কর দত্ত (২১)।

আহতরা হলেন, নরসিংদী জেলার রায়পুরার বীরকান্দি এলাকার শাহানুদ্দিনের ছেলে সৈনিক মাইনুল (২১), বগুড়া জেলার বেলকুচি এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে ল্যান্স কর্পোরাল ইমরান (৩০) ও সার্জেন্ট ফিরোজ (৩৫)। তাহতরা সবাই টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেনানিবাস ৩৭ রেজিমেন্ট (এবি) আর্টিলারির সদস্য।

সার্জেন্ট ফিরোজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন খবরটি নিশ্চিত করে জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর পাহারা কাজে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের টহলে ভ্যানের সঙ্গে সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ সেনা সদস্য আহত হয়।তাদের উদ্ধার করে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফয়সাল রাত সোয়া নয়টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত প্রায় পৌনে নয়টার দিকে তাদের মৃত্যু হয়। আহতরা এখন মোটামুটি ভালো আছেন।

মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃতকারণ জানার চেষ্টা চলছে।

এদিকে কামারখন্দ সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার শাহীনুর কবীর বলেন, সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের আর ই ১১ ব্যাটালিয়নের সাতজন সদস্য নলকা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে দুইজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে। ট্রাকটির হেলপার ও চালক পলাতক রয়েছে। দুর্ঘটনায় কবলিত সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক এবং সেনাবাহিনীর পিকআপটি বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা হেফাজতে রয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।