• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

রাজশাহীতে আবারো শুরু হচ্ছে গণ টিকা

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১

মাননীয় মেয়র লিটনের প্রচেষ্টায় আবারো শুরু হচ্ছে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন, ৩০টি ওয়ার্ডের ৮৪টি কেন্দ্রে মর্ডানার ১ম ডোজ দেওয়া হবে শনিবার ও সোমবার ।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ,
 রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের ৮৪টি কেন্দ্রে আবারো গণটিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় আগামী ১৪ আগস্ট শনিবার এবং ১৬ আগস্ট সোমবার ওয়ার্ডের কেন্দ্রসমূহে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে নিবন্ধনধারী ৩০০জনকে মর্ডার ১ম ডোজ টিকা প্রদান করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মী ও ৩জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (স্থানঃ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ) কেন্দ্র, পুলিশ হাসপাতাল ও আইডি হাসপাতাল কেন্দ্রে এসএমএস প্রাপ্তরা শুধুমাত্র ২য় ডোজ টিকা নিতে পারবেন। গণটিকাদান কর্মসূচি সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।
রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, গণটিকাদান ক্যাম্পেইনে ৭ ও ৮ আগস্ট দুইদিনে ৭৮ হাজার ৮৭৩জনকে টিকা প্রদান করা হয়। টিকার মজুদ শেষ হওয়ায় ৯ আগস্ট থেকে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন স্থগিত করা হয়। নগরবাসীর চাহিদা বিবেচনায় মেয়র মহোদয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে মর্ডানা টিকা প্রদানের অনুরোধ জানান। মেয়র মহোদয়ের অনুরোধে
নতুন করে ৬০ হাজার ৪৮০ ডোজ মর্ডানার ১ম ডোজ টিকা আমরা পেয়েছি।
তিনি আরো জানান, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এখন পর্যন্ত ১ম ও ২য় ডোজসহ মোট ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৩৭জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮১৯জনকে মর্ডানার ১ম ডোজ টিকা, ১ম ও ২য় ডোজ সহ মোট এক লাখ ২ হাজার ৫৬২জনকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা, ১ম ও ২য় ডোজ সহ মোট ৬ হাজার ৯৬৫জনকে সিনোফার্ম টিকা দেওয়া হয়েছে। আর টিকা পেতে নিবন্ধন করেছেন মোট ২ লাখ ৮০ হাজার ব্যক্তি।
৩০টি ওয়ার্ডের করোনা টিকাদান কেন্দ্রগুলো হলো: ১নং ওয়ার্ডে গোলজারবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওয়ার্ড নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ২নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, নগরপাড়া সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়, ওয়ার্ড নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ৩নং ওয়ার্ডে ডি.বি আনোয়ারা স্কুল বহরমপুর, শিক্ষা স্কুল এন্ড কলেজ দাসপুকুর। ৪নং ওয়ার্ডে কেশবপুর ভেড়ীপাড়া সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়, ৪নং ওয়ার্ড কার্যালয়, ওয়ার্ড নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ৫নং ওয়ার্ডে মহিষবাথান আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হেলেনাবাদ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। ৬নং ওয়ার্ডে প্যারামেডিকেল ইন্সস্টিটিউট, লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ৭নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয় (ঝাউতলা), ডায়াবেটিস হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউট, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ৮নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, গভঃ ল্যাবরেটরী হাই স্কুল। ৯নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, শাহ মুখদুম দরগা মাদ্রাসা। ১০নং ওয়ার্ডে হাতেম খাঁ কলাবাগান আজিজার রহমান সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়, হাতেম খাঁ মুসলিম হাই স্কুল।
১১নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, গার্লস স্কুল, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১২নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, মসজিদ মিশন একাডেমী স্কুল, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৩নং ওয়ার্ডে দক্ষিণ দড়িখরবোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ নজমুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৪নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, তেরখাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৫নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয় (দড়িখরবোনা), শহীদ এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৬নং ওয়ার্ডে বখতিয়ারাবাদ শিশু বিকাশ প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়, মথুরডাঙ্গা মহিলা কাউন্সিলরের কার্যালয়, আটকোষী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৭নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কার্যালয়, নওদাপাড়া আওয়ামী লীগ অফিস, তিলোত্তমা স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৮নং ওয়ার্ডে মেট্রোপলিটন ডিগ্রী কলেজ, অন্নদা সুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয় (ম্যাচ ফ্যাক্টরী), গোল্ডেন স্টার প্রি-ক্যাডেট স্কুল, আসাম কলোনী, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৯নং ওয়ার্ডে শিরোইল কলোনী ওয়ার্ড কার্যালয়, ছোটবনগ্রাম ওয়ার্ড কার্যালয়, শিরোইল কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, শিরোইল কলোনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোটবনগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০নং ওয়ার্ডে কৃষ্ণকান্ত সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় সুলতানাবাদ, রানীবাজার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।
২১নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয়, সূর্যকণা স্কুল। ২২নং ওয়ার্ডে রাজশাহী বি.বি হিন্দু একাডেমী (২টি কেন্দ্র), ২৩নং ওয়ার্ডে শাহমুখদুম কলেজ, আহমদপুর সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ২৪নং ওয়ার্ডে জাতীয় তরুন সংঘ একাডেমী, রামচন্দ্রপুর ও জনকল্যান সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়, বাজেকাজলা। ২৫নং ওয়ার্ডে খাদেমুল ইসলাম বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ২৫নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয় (তালাইমারী) ও সিটি হাসপাতাল। ২৬নং ওয়ার্ডে নামোভদ্রা সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ (পদ্মা আবাসিক), ২৬নং ওয়ার্ডে নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শমসের মোন্ডলের মোড়। ২৭নং ওয়ার্ডে বালিয়াপুকুর বিদ্যানিকেতন ও ওয়ার্ড কার্যালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ২৮নং ওয়ার্ডে কাজলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়, ধরমপুর সমসের মোল্লা বেসরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ২৯নং ওয়ার্ডে ডাঁশমারী উচ্চ বিদ্যালয়, সিডিসি ক্লাসটার অফিস ও নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ৩০নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কার্যালয় ও রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র।
উল্লেখ্য, ৭ আগস্ট ওয়ার্ড পর্যায়ে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ৭ আগস্ট ৩৪ হাজার ৩৮৫জনকে টিকা প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ৩০টি ওয়ার্ডে ৮৪টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ২৫৬জনকে প্রথম ডোজ মর্ডানার টিকা দেওয়া হয়। ৮ আগস্ট ২য় দিন ৪৪ হাজার ৪৮৮জনকে করোনার টিকা প্রদান করা হয়। এরমধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের ৮৪টি কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ৬৬৪জনকে প্রথম ডোজ মর্ডানার টিকা প্রদান করা হয়। নগরীতে ৭ ও ৮ আগস্ট দুইদিনে ৭৮ হাজার ৮৭৩জনকে টিকা প্রদান করা হয়। এরপর টিকার মজুদ না থাকায় ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নগরীতে আবারো শুরু হচ্ছে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।