• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

নারায়ণগঞ্জে দালালদের টাকা দিলে মিলছে করোনার টিকা

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১

নারায়ণগঞ্জে দালালদের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে করোনার টিকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মডার্না টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার শেষ দিন বৃহস্পতিবার নগরীর তিনশ শয্যা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল ও দেড়শ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা না পাওয়া এবং লাইনে না দাঁড়িয়েও টাকার বিনিময়ে দালালদের মাধ্যমে টিকা পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের হাতে কয়েকজন দালাল ধরা পড়লেও কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা কিছু জানেন না।

সংশ্নিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে গতকাল সকাল ৯টায় ছয়টি বুথে নারী-পুরুষদের আলাদাভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়। তবে কাঙ্ক্ষিত টিকা নিশ্চিত করতে ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় গুটিকয়েক পুলিশ সদস্যকে।

হাসপাতালের বিভিন্ন বুথ ঘুরে ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকের ভাগ্যেই টিকা জোটেনি। আবার কেউ কেউ হুট করে এসেই লাইনে না দাঁড়িয়ে শ খানেক টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে টিকা নিয়ে চলে গেছেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় নারীদের লাইনে এক নারীর হাতে পাঁচ থেকে ছয়টি টিকার কার্ড দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ। একপর্যায়ে দুই নারী দালাল হাতেনাতে ধরা পড়লে পুলিশ তাদের হাসপাতাল প্রাঙ্গণের বাইরে পাঠিয়ে দেয়। হাসপাতালে পুরুষের পাশাপাশি নারী দালাল চক্রের প্রভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তাদের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে গেছে। মাঝেমধ্যে পুলিশের সঙ্গে দালালদের ধস্তাধস্তিও হয়।

পুলিশ পরিদর্শক আবুল হোসেন দালাল চক্রের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এত মানুষের ভিড়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখা অল্প সংখ্যক সদস্যের পক্ষে কষ্টকর। শান্তিপূর্ণভাবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনায় সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। তবে দালালদের বিষয়ে জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনশ শয্যা করোনা হাসপাতালের সুপার ডা. আবুল বাশার ও দেড়শ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. আসাদুজ্জামান। তারা বলেন, বাইরে কী ঘটেছে, তা তাদের জানা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।