• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

নতুন সিদ্ধান্ত আসলো শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি চলাচল নিয়ে

Reporter Name / ১৪৩ Time View
Update : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১

স্রোত স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরিগুলো সক্ষমতার অর্ধেক ভারি যান নিয়ে চলাচল করতে পারবে। নৌ প্রতিমন্ত্রীর বন্ধ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই রাতে আসে নতুন সিদ্ধান্ত। ফেরি চলাচল বন্ধ সমাধান নয় উল্লেখ করে পানি বিশেষজ্ঞরা বলেন, আধুনিক যুগে এমন স্রোত মোকাবিলার সক্ষমতা থাকা জরুরি।

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুট এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। পদ্মা সেতু সুরক্ষার পাশাপাশি ফেরি রুটটিও সচল রাখা জরুরি। কিন্তু ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পদ্মা সেতুর সঙ্গে চার বার ফেরির ধাক্কা লাগে। সবশেষ সোমবার (৯ আগস্ট) রাতে দুর্ঘটনার পরই মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জরুরি বৈঠকে বসে নৌ মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত হয়, স্রোত না কমা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে ভারি যানবাহী নিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার বিকালে বৈঠকে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পদ্মা সেতুতে কিছু হলে আমাদের বুকে আঘাত লাগে। স্রোত স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টা পরই মঙ্গলবার রাতে তা পরিবর্তন করে ফেরিগুলোর সক্ষমতার অর্ধেক করে যান পারাপারের সিদ্ধান্ত হয়।
বিআইডব্লিউটিসি চেয়ারম্যান সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেন, আগে একটি ফেরিতে ১০টা ট্রাক উঠত এখন ৫টা তোলা হলে হবে, এর সঙ্গে হালকা যানবাহন থাকবে। তাহলে মাস্টারের ফেরি ঘোরাতে কম কষ্ট হবে।  প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে বর্ষা আসবে, পদ্মায় থাকবে প্রবল স্রোত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি থাকাটা স্বাভাবিক। আর এবার ভরা বর্ষায় অন্যান্যবারের তুলনায় পানি এবং স্রোত কম থাকা সত্ত্বেও এমন চ্যালেঞ্জ কেন হচ্ছে? পানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক যুগে এমন স্রোত মোকাবিলার সক্ষমতা থাকা জরুরি। পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, কোনো অবস্থাতেই ৪০০ ফুটের জায়গাতে ৫০ ফুটের ফেরি ধাক্কা খাওয়া ঠিক নয়। সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। এটাই হচ্ছে সমাধান।
গত ২৩ জুলাই ফেরি শাহজালালের ধাক্কার ঘটনায় তদন্ত কমিটির দেয়া রিপোর্টে তিন সুপারিশের একটি শিমুলিয়া ফেরিঘাট আড়াই কিলোমিটার পশ্চিমে মাওয়া অথবা মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে ৮ কিলোমিটার ভাটিতে শরীয়তপুরের মাঝিকান্দিতে সরিয়ে নেয়া। মাত্র ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে মাওয়ায় ঘাট স্থানান্তর হলে দূরত্ব কমবে ২ কিলোমিটার এতে সময় এবং জ্বালানি খরচ কমবে ১৫ শতাংশ করে। অন্যদিকে মাঝিকান্দিতে ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে ঘাট স্থানান্তরের দূরত্ব কমবে ৩ কিলোমিটার। তবে সড়ক পথ বাড়বে ৪ কিলোমিটার। পারাপার স্বাভাবিক রাখতে আগে থেকেই শিমুলিয়া ঘাট কিংবা বাংলাবাজার ঘাট সরিয়ে নেয়া গেলে নির্মাণাধীন স্বপ্নের সেতু এড়িয়ে চলাচল করা যেত বলে মনে করেন এ রুটে চলাচলকারীরা।
এ রুটে ১৭টি ফেরির মধ্য চলাচল করছে ৬টি, আর ৮৭ টি লঞ্চই সচল রয়েছে। পদ্মায় প্রতি সেকেন্ড স্রোতের গতি এখন ২ দশমিক তিন মিটার। গত বছর এ দিনে স্রোতের গতি ছিল ৩ দশমিক এক মিটার। আর পানির লেভেল এবার প্রায় দুই মিটার কম। 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।