• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

অলিম্পিকে ১২৮ বছর পর ফিরছে ক্রিকেট

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১

অলিম্পিকে ক্রিকেট নেই কেন? এই আক্ষেপ আর হয়তো বেশিদিন বয়ে বেড়াতে হবে না সমর্থকদের। অনেক দিন ধরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অলিম্পিকে ক্রিকেট ফেরাতে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই বিড করেছে তারা। মঙ্গলবার দুপুরে আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে এই খবর।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসেই ক্রিকেট দেখা যাবে। আইসিসি জানিয়েছে, ‘অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। সেখান থেকে বিডে নেতৃত্ব দেওয়া হবে। আমাদের ইচ্ছা ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস, ২০৩২ ব্রিসবেন এবং এরপরের আসরগুলোতেও যেন ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।

আইসিসির এই পরিকল্পনায় সমর্থন আছে ভারতের। ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন, ২০২৮ অলিম্পিকে জনপ্রিয় এই খেলাটি অন্তর্ভূক্ত হবে।

আইসিসির চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের পুরো ক্রীড়া ইউনিট এই বিডের পেছনে রয়েছে এবং আমরা অলিম্পিককে ক্রিকেটের দীর্ঘ ভবিষ্যতের অংশ হিসেবে দেখছি। সারা বিশ্বে আমাদের এক বিলিয়নেরও বেশি ভক্ত রয়েছে এবং তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ অলিম্পিকে ক্রিকেট খেলা দেখতে চায়। ক্রিকেটের স্পষ্টতই একটি শক্তিশালী এবং উৎসাহী ভক্তের ভিত্তি রয়েছে। এটি বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায়, যেখান থেকে আমাদের ভক্তদের ৭২ শতাংশ আসে। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ৩০ মিলিয়নের বেশি ক্রিকেট ভক্ত রয়েছে।’

অলিম্পিকে একবারই ক্রিকেট হয়েছিল। সেটা সেই ১৯০০ সালে প্যারিসে। গ্রীষ্মকালীন প্রতিযোগিতায় সেবার গ্রেট ব্রিটেন স্বর্ণ আর ফ্রান্স রৌপ্য পদক জেতে। তবে তার পর থেকে অলিম্পিকে ক্রিকেট না রাখার মূল কারণই ছিল, বেশি সময় ব্যয়। তখন তো ছিল কেবল টেস্ট ক্রিকেট।

কিন্তু বর্তমান সময়ে ক্রিকেটের ফরমেট বদলেছে। ২০ ওভারের টি-টোয়েন্টি ফরমেটে সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টার মতো। এখন ১০০ বলের ক্রিকেট বা ১০ ওভারের ফরমেটও চলে এসেছে। তাই সময়টাকে এখন আর বড় বাধা মনে করছে না আইসিসি। তাই ১২৮ বছর পর অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভূক্তির সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার অপেক্ষা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।