• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

অর্ধেক বাস চলার সিদ্ধান্ত ‘জানেন না’ সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

১১ আগস্ট থেকে অর্ধেক গণপরিবহন চলার সিদ্ধান্ত আলোচনা করে নেওয়া উচিত ছিল। এমনটাই বলেছেন খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বললেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে একসাথে বেশি গাড়ির প্রবেশ ঠেকাতেই নেওয়া হচ্ছে এ সিদ্ধান্ত। এ অবস্থায় গণপরিবহন কম চললে যাত্রীদের চাপে সংক্রমণ ঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

রাজধানীতে গণপরিবহন সংকটে স্বাভাবিক সময়েই ভুগতে হয় খেটে খাওয়া মানুষকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষাতেও মেলে না কাঙ্ক্ষিত বাহন। রোববার (০৮ আগস্ট) কঠোর বিধিনিষেধ শিথিলের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাসে শতভাগ আসনে যাত্রী বসলেও মোট সংখ্যার অর্ধেক বাস চলবে রুটগুলিতে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক সিট ফাঁকা রেখেও যাত্রী ভিড় সামলানো যায়নি। সবকিছু খুলে দেওয়ার পর গণপরিবহনের সংখ্যা কমালে মানুষের চাপে সংক্রমণ ঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা তাদের।
 পরিবহন নেতারা বলেন, অর্ধেক পরিবহন চলে তাহলে বাকী অর্ধেক শ্রমিক কি না খেয়ে মারা যাবে? প্রাইভেট কারে গাদাগাদি করে মানুষ নেয়, সেসময়ে করোনা হয় না। শুধু বাস চললে করোনা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবহন মালিক-শ্রমিক কর্তৃপক্ষকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হলেও পরিবহন মালিকরা বলছেন, কবে কোন বাস চলবে তা নির্ণয় করা প্রায় অসম্ভব।
ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, সারা দেশে হাজার হাজার বাসমালিক রয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ আছেন একটি বাসের মালিক। এটা আমরা কীভাবে নির্ণয় করবো কার কয়টা গাড়ি আছে। এটা করা অসম্ভব। একই সঙ্গে যাত্রীদের চাপ বাড়বে এবং সংক্রমণ বাড়বে।
এদিকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আলোচনা করা দরকার ছিল বলে মনে করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। আর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বললেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে এক সাথে বেশি গাড়ির প্রবেশ ঠেকাতেই নেয়া হচ্ছে এ সিদ্ধান্ত।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অন্তত কিছুদিন জেলাপর্যায়ে ডিসি, এসপি, পরিবহনমালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বসে যত বাস আছে, তার অর্ধেক চালাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে বাইরে থেকে চাপ কম হয়। একসঙ্গে বেশি গাড়ি ঢাকা বা চট্টগ্রামে ঢুকতে না পারে। এটি স্থানীয় প্রশাসনের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক স্থানীয় প্রশাসন এটা ঠিক করবে।
 
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়কে অর্ধেক গাড়ি নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বললে ভালো হতো।
 এক আগে এক সিট ফাঁকা রেখে ৬০ শতাংশ ভাড়ায় বাস চললেও ১১ আগস্ট থেকে আগের ভাড়ায় চলবে গণপরিবহন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।