• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশির গলাকাটা লাশ উদ্ধার

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১

সৌদি আরবে নিজ ঘরে গাজী জাকির হোসেন (৩০) নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ১০টার দিকে রিয়াদের হাইলোজারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জাকিরের বড় ভাই দুলাল গাজী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া অরুয়াইলের ধামাউড়া গ্রামের হাজী কাঞ্চন গাজীর পাঁচ ছেলের মধ্যে জাকির ছিলেন ৪র্থ। ১২ বছর আগে সে সৌদিতে পাড়ি জমায়। সেখান পাইপ ফিটিং ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে ঠিকাদার হিসেবে জনবল সাপ্লাই দিত। গত কিছুদিন আগেও বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়েছে তার কোম্পানির জন্য।

প্রবাসীরা জানান, জাকিরের রুমে সেসহ চারজন বাংলাদেশি থাকতেন। এছাড়াও একই বিল্ডিংয়ে তার অধীনে থাকা শ্রমিকরা থাকতেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোর ৫টায় অন্যান্য শ্রমিকদের ঘুম থেকে উঠিয়ে ডিউটিতে পাঠায় জাকির। তারপর জাকির তার কক্ষে ছিল। বন্ধু রাসেলকে নিয়ে বেলা ১১টায় কোম্পানির এক মালিকের সাথে দেখা করার কথা ছিল। জাকিরের কথামতো রাসেল সকাল ৯টায় জাকিরকে ফোন দেয়, ধরেনি। রাসেল জাকিরের খবর নিতে বাসায় যায়। অনেক ডাকাডাকি করলেও জাকির দরজা খোলেনি। পরে দুই-তিনজন প্রবাসী বাংলাদেশির সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখে জাকিরে গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে রয়েছে।

তারা জানান, পেটের নাড়িভুড়ি বের হয়ে আছে। তখন তারা চিৎকার করতে থাকলে আশপাশের বাংলাদেশিরা জড়ো হয়। পুলিশকে খবর দিলে তারা লাশ নিয়ে যায়। এই ঘটনায় আশপাশের রুমের কয়কজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে।

দুলাল গাজী বলেন, আমরা পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চার ভাই সৌদি আরব ও কাতারে ছিলাম। আমি বর্তমানে দেশে আছি। জাকিরের সঙ্গে সৌদিতে আরও এক ভাই আছে। জাকির সৌদিতে বিভিন্ন কোম্পানিতে শ্রমিক দিয়ে ভালো রোজগার করতো। তার অধীনে অন্তত পাঁ হাজার শ্রমিক কাজ করতো।

তিনি বলেন, সর্বশেষ গত তিন বছর আগে সে দেশে এসেছিল। তার বিয়ে করার কথা ছিল। আমরা তার বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এজন্য কন্যা পছন্দ করে রেখেছিলাম। দুই/এক দিনের মধ্যে বিয়ে তারিখ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা ভাইকে জীবিত অবস্থায় আর আরও দেখতে পেলাম।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জাকিরের রোজগারে ঈর্ষান্বিত হয়ে এলাকার লোকজন পরিকল্পিতভাবে জাকিরকে খুন করেছে। ইদানীং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকজন ছেলে জাকিরকে হুমকি দিচ্ছিল। তাদেরকে সৌদি পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে। আমি আমার ভাইয়ের খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তি কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।