• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

পটুয়াখালীতে ব্যাংকে ঢুকে ম্যানেজারকে মারধর

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১

কোটি টাকার ঋণ নবায়ন মঞ্জুরি বর্ধিত না করায় পটুয়াখালী গলাচিপার অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড শাখায় সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও ম্যানেজার মো. নাজমুল হাসানকে মারধর করে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠেছে ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাহাত চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে একটি ব্যাংকের গলাচিপা শাখার ব্যবস্থাপকের কক্ষে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই ব্যবসায়ী আটক করেছে। এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান গলাচিপা থানার ওসি এমআর শওকত আনোয়ার ইসলাম।

গলাচিপা অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও শাখা ব্যবস্থাপক অভিযোগ করেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌর এলাকার ব্যবসায়ী মেসার্স চৌধুরী ট্রেডলিংকের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাহাত চৌধুরী ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের কক্ষে বসেন। এ সময় তার পূর্বের করা ৬০ লাখ টাকার ঋণসহ আরও ৪০ লাখ টাকা মোট এক কোটি টাকার বর্ধিত ঋণ মঞ্জুরি না করায় ক্ষুব্ধ হন।

ব্যবস্থাপক আরও জানান, রাহাত চৌধুরীর আগের যে ৬০ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে তার পরেও আরও ৪০ লাখ টাকার যে ঋণ বর্ধিত করতে চান তা তার জামানতে ঋণের আওতা বহির্ভূত। এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে রাহাত চৌধুরী শাখা ব্যবস্থাপক নাজমুলের জামার কলার ধরে মারধর করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। একপর্যায়ে পেপার ওয়েটে দিয়ে টেবিলের গ্লাস ভাংচুর ও কাগজপত্র নষ্ট করেন।

এ সময় ব্যবস্থাপকের ডাক-চিৎকার শুনে ব্যাংকের অন্যান্য কর্মচারীরা ব্যবস্থাপককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গলাচিপা থানা পুলিশ খবর পেয়ে ব্যাংকে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে। এর আগেই অবস্থা বেগতিক দেখে রাহাত পালিয়ে যান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা গলাচিপা থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম কবির বলেন, গলাচিপা অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের কক্ষ পরিদর্শন করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। রাহাত চৌধুরী এর আগেও ২০১৫ সালে গলাচিপা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা  মো. আলতাফ হোসেনকেও (বর্তমানে অবসরে) লাঞ্ছিত করেছিলেন। তার বাবা প্রভাবশালী হওয়ায় ওই সময় ঘটনা আপস মীমাংসা হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার ওসি এমআর শওকত আনোয়ার ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই অগ্রণী ব্যাংকের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্ত মেসার্স চৌধুরী ট্রেড লিংকের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাহাত চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।