• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

অলিম্পিকের মঞ্চে খেলবে বিল গেটসের হবু জামাতা

Reporter Name / ১৬১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১

দীর্ঘ ৬০ বছর পর অলিম্পিকের ইকুয়েস্ট্রিয়ান (ঘোড়দৌড়) ইভেন্টে খেলার সুযোগ পেয়েছে মিসর। ২০১৯ সালে মরক্কোতে হওয়া এফইআই নেশন কাপে ভালো করে অলিম্পিকে জায়গা করে নিয়েছে দেশটি। আজ অনুষ্ঠিত হবে সেই বহুল প্রত্যাশিত ইভেন্ট। সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, মিসরের এই অলিম্পিক দলের খেলায় তাদের সবচেয়ে বড় সমর্থক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটস। কারণ এই দলে যে খেলবেন তার হবু জামাই!

মিসর ইকুয়েস্ট্রিয়ান দলের অন্যতম সদস্য বিল গেটসের হবু জামাই নায়েল নাসার। বিল গেটসের মেয়ে জেনিফার গেটসের বাগদত্তা তিনি। হবু জামাইকে নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস গত ৩১ জুলাই জানিয়ে রেখেছেন বিল গেটস। সেদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নায়েল নাসারের একটি ইভেন্টের ছবি দিয়ে গেটস লিখেছেন, ‘টোকিওতে অনেক অ্যাথলেটকেই সমর্থন দিচ্ছি। সবচেয়ে বেশি সমর্থন পাচ্ছে আমার হবু মেয়ের জামাই, নায়েল নাসার। শুভকামনা, নায়েল।’
এদিকে, মিসরের ইকুয়েস্ট্রিয়ানরা দল হিসেবে খেলবেন আগামী ৬ আগস্ট। সেদিনই দল হিসেবে মোহামেদ তাহের জিয়াদা, সামেহ আল দাহান, আবদুল কাদের সাঈদ ও নায়েল নাসার কেমন করেন সেটা দেখা যাবে। তবে এর আগে আজ এককের হিটে নামবেন নায়েল নাসার। বিল গেটসের মেয়ে জেনিফার ও নাসার গত বছরের জানুয়ারিতে বাগদানের ঘোষণা দেন। জানা গেছে, শিগগিরই দুজন বিয়ে করবেন। নাসার একজন পেশাদার ইকুয়েস্ট্রিয়ান (ঘোড়দৌড়বিদ)। জানা গেছে, নায়েলের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শিকাগো শহরে। তবে বেড়ে ওঠা কুয়েতে। ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জেনিফার গেটসের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। নায়েল ঘোড়দৌড়বিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তবে বিয়ের পর ঘোড়দৌড়কেই নিজের ভবিষ্যতের পথ করবেন নাকি অন্য কোনো পেশা বেছে নেবেন, তা এখনো ঠিক করেননি। নায়েল নাসেরের পারিবারিক আর্কিটেকচার ফার্ম রয়েছে। নায়েলের বয়স যখন পাঁচ বছর তখন থেকেই সে ঘোড়ায় চড়ছে। নিজের প্রথম ঘোড়া পায় ১০ বছর বয়সে। ছোটবেলা থেকেই তার ঘোড়দৌড়ের সখ। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন নায়েল নাসার। ইংরেজি, ফরাসি ও আরবিতে সাবলীল। আর জেনিফার ২০১৮ সালে স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে থেকে হিউম্যান বায়োলজিতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন। তবে তারা বেশির ভাগ সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন ঘোড়দৌড়ের ময়দানেই। 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।