• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

গণপরিবহন-নৌযান চলবে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

গার্মেন্টসহ বিভিন্ন কলকারখানা শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে গণপরিবহন চলবে। পাশাপাশি এ সময় পর্যন্ত চলবে নৌযানও। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চলাচল করবে বাস ও লঞ্চ। পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সময় আরও বাড়ানো হতে পারে।

শনিবার নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের দুর্ভোগ লাগবে তাৎক্ষণিক বিবেচনায় রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণপরিবহন ও লঞ্চ চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সময় আরও বাড়ানো হতে পারে। সরকারের তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের কাজে যোগদানের সুবিধার্থে ১ আগস্ট দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণপরিবহন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী সব শিল্প কলকারখানা খুলে দেওয়র ঘোষণা দেয় সরকার। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে করোনাভাইরাসের কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে রাস্তায় কর্মজীবী শ্রমিকদের ঢল নামে। তাদের কেউ হেঁটে, কেউ ট্রাকে, কেউ বিকল্প কোনো যানে ঢাকামুখী যাত্রা শুরু করেন। এ দুর্ভোগের কথা চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে কোনো কোনো জায়গায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে। সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ  বলেছেন, এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। সে পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরিবহন শ্রমিকরা বাস চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চালানো হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এদিকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের সব নৌরুটে যাত্রীবাহী নৌযানও চলাচল করবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থাও (বিআইডব্লিউটিএ) শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার জন্য শনিবার রাত ৮টা থেকে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ তথা সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। আগামী ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত সময়সীমার এ লকডাউন চলাকালে সব ধরনের গণপরিবহনের পাশাপাশি নৌযান চলাচলও বন্ধ ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।