• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

সিলেট বিভাগে নতুন রেকর্ড করোনা রোগী শনাক্ত

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১

সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। আর অপর ৩ জন মৌলভীবাজারের বাসিন্দা।একই সময়ে করোনা শনাক্তের সব রেকর্ড অতিক্রম করে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৮০২ জন।

যা অতীতে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড ছিলো ৭৩৬ জন। এ সময়ে চার জেলায় মিলে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিলো ১৮৩৩ টি। সে হিসেবে শনাক্তের হার ৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় এ তথ্য জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্যমতে, নতুন শনাক্তদের মধ্যেও সিলেটে সর্বোচ্চ ৪১৩ জন, সুনামগঞ্জে ১২১, হবিগঞ্জে ৫১ জন, মৌলভীবাজারে ১৬৬ জন এবং সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৫১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে বিভাগের চার জেলায় মিলে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ১ শত ১৬ জন। যার সর্বোচ্চ সিলেট জেলায় ২১ হাজার ২ শত ২৫ জন, সুনামগঞ্জে ৪ হাজার ৫ শত ৭৩ জন, হবিগঞ্জে ৪ হাজার ৪ শত ৫১ জন, মৌলভীবাজারে ৫ হাজার ৩ শত ৬৪ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট ৩ হাজার ২ শত ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সিলেট বিভাগে ভয়ানক করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮৪ জন। যার সর্বাধিক সিলেট জেলাতেই ৫৩৮ জন, সুনামগঞ্জে ৪৯ জন, হবিগঞ্জে ৩০ জন, মৌলভীবাজারে ৫৯ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে মহামারি করোনায়। অপরদিকে শেষ ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে করোনা জয় করেছেন ৪১৩ জন। এবং নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৭৬ জন। এদিকে চলমান কঠোর লকডাউনেও করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের হার ঊর্ধ্বমুখী। রোগীর চাপে বেসামাল হাসপাতালগুলো। শয্যা ও অক্সিজেন সংকটে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৭২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদিন খুলনার দুই হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুইজন ও গাজী মেডিকেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে সাতজন ও উপসর্গে ছয়জন মারা গেছেন। বগুড়া: বগুড়ার তিনটি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও ১৯ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ১২ জন করোনায় এবং ৭ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৫৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১৪৯ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। সংক্রমণের হার ২৮ শতাংশ।
  


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।