• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

শিগরই প্রয়োগ শুরু হবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১

দেশে শিগগিরই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরু হবে। বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বুলেটিনে এই তথ্য জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অক্সফোর্ডের টিকা কার্যক্রম আমরা শুরু করেছিলাম, কিন্তু মাঝখানে টিকা সরবরাহের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে বন্ধুপ্রতীম জাপানের কাছ থেকে কিছু টিকা পেয়েছি। আশা করছি শিগগিরই টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারব। তিনি আরও বলেন, সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের কারণে আমরা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও কিছু টিকা কিছুদিনের মধ্যেই পেয়ে যাব।  আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে, অল্প সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ সকলকে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, দেশে সব কেন্দ্রেই এখন বন্ধ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাদান। দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় ১৫ লাখ ২২ হাজার মানুষ। তবে আশা জাগাচ্ছে কোভ্যাক্সের আওতায় জাপান থেকে আসা প্রায় আড়াই লাখ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। মাসখানেকের মধ্যে আরও ৩৭ লাখ টিকা আসার কথা। এদিকে আগামীতে প্রতি মাসে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ওয়ার্ড পর্যায়ে কেন্দ্র সম্প্রসারণের কাজ চলছে বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পাশাপাশি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি-ইপিআই কর্মীদেরও যুক্ত করা হচ্ছে এ কার্যক্রমে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের  মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, এবারের যে কর্মসূচি এ কমসূচিতে কিন্তু দক্ষ জনগোষ্ঠী কাজ করা শুরু করেনি। কেবল হাসপাতালভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে করা হয়েছে। এ সংখ্যাটার সাথে যদি ইপিআই কর্মসূচিতে কাজ করা কর্মীদের যুক্ত করা যায় তাহলে টিকাদান কার্যক্রম গতি পাবে। এতে মাসে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া খুব অসম্ভব কাজ হবে না বলেও মন্তব্য করেন ডা. নাজমুল ইসলাম।এদিকে টিকা নেওয়ায় আগ্রহ বাড়াতে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে চলবে ৬ দিনব্যাপী প্রচারণা। সে সময় কেবল জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে টিকা নিতে পারবেন ৬০ লাখ মানুষ। এদিকে আগামী বছরের শুরুর মধ্যে অর্থাৎ আগামী পাঁচ-ছয় মাসে সব মিলিয়ে প্রায় ২১ কোটি ডোজ টিকা দেশে আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, সরকারের হাতে বর্তমানে এক কোটি ডোজের বেশি টিকা রয়েছে। আগামী মাসের মধ্যেই আরও দুই কোটি ডোজ টিকা দেশে চলে আসবে। এ ছাড়া চীন থেকে তিন কোটি, রাশিয়া থেকে সাত কোটি, জনসন অ্যান্ড জনসনের সাত কোটি, অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটিসহ আগামী বছরের শুরুর মধ্যেই সরকারের হাতে প্রায় ২১ কোটি ডোজ টিকা চলে আসবে।  স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এসব টিকা পেলে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ লোককে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।