• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ডুবতে থাকা নৌকা থেকে ১১ জেলেকে উদ্ধার করে

Reporter Name / ২০২ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১

ইঞ্জিন বিকল হয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবতে থাকা এফবি জিহাদ নামে ফিশিং বোট থেকে ১১ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আমিরুল হক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে এফভি জিহাদ নামের একটি ফিশিং বোট ভোলার মনপুরা থেকে ১১ জন জেলে নিয়ে মাছ ধরতে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফিশিং বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। লে. কমান্ডার আমিরুল হক জানান, এরপর ফিশিং বোটটি সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে চট্টগ্রাম জেলার সন্দীপ থানাধীন সারিকাইত চৌকাতলী হতে ৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে ডুবতে থাকলে সমুদ্রে থাকা অপর একটি ফিশিং বোট বিসিজি আউটপোস্ট সারিকাইতে ঘটনাটি জানায়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে বিসিজি আউটপোস্ট সারিকাইত দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যে যায় এবং ১১ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি উদ্ধারের পর জেলেদের বিসিজি আউটপোস্ট সারিকাইতে নিয়ে আসা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা ও খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। পরে তাদের বোটের মালিকপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়। কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা আরও জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আওতাভুক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বন দস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণসহ উপকূলীয় অঞ্চলে যে কোনো ধরনের উদ্ধারে কোস্ট গার্ডের অভিযানে নিয়মিত অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।