• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

টেকনাফে এক পরিবারের ৫ শিশু নিহত হয়েছে পাহাড়ধসে

Reporter Name / ২০২ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ধসের ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোররাতে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালি ভিলেজ পাড়ায় এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ বলেন, পানখালি ভিলেজ পাড়ায় স্থানীয় সৈয়দ আলমের বাড়িতে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তারা সবাই একই পরিবারের। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ পারভেজ চৌধুরী বলেন, ভিলেজ পাড়ায় পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৫ জন মাটি চাপা পড়ে। ঘটনাস্থলেই ৫ জনের মৃত্যু হয়। নিহতরা সবাই শিশু। উদ্ধার কাজ চালাতে ফায়ার সার্ভিস, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা একযোগে কাজ করছে। তবে কেউ নিখোঁজ নেই।  টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরতদের সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে এবং আশ্রয় কেন্দ্রও খোলা রয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ শুনতে চায় না। বৃষ্টিপাত এখনো অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে উখিয়ার ক্যাম্প ১০ এ পাহাড়ধসে পাঁচ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। মাটির চাপায় আহত হন ৩ জন। তাদের ক্যাম্পের  হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর ঢলের পানিতে ডুবে ক্যাম্প-১৮ তে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া পাহাড়ধসে টেকনাফে হোয়াইক্যংয়ে এক নম্বর ওয়ার্ডে রকিম আলী নামে একজনের মৃত্যু হয়। আর মহেশখালি উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের উত্তর সিপাহিপাড়ায় মাটির দেয়াল চাপায় মোরশেদা বেগম নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রাণ হারানো পাঁচজন হলেন, নুর বাহার, দিল বাহার ও তার দুই সন্তান তিন বছরের আব্দুর রহমান ও দুই বছরের আয়েশা সিদ্দিক এবং শফিউল আলম।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।