• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

চাকরি হারানোর ভয়ে ঢাকামুখী হচ্ছে তারা

Reporter Name / ১৭১ Time View
Update : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে কঠোর বিধিনিষেধের চতুর্থ দিনেও ফেরিতে ছোট যানবাহন ও যাত্রীর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (২৬ জুলাই) সকালে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ঘাট পার হয়ে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

ভোর থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দিয়ে ফেরিতে মানুষ ও ছোট যানবাহন পার হচ্ছে গাদাগাদি করে। ঘাট এলাকায় আসতে পারলেই বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ট্রাকের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার পার করছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। ঘাট এলাকাতেও মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, আটোসহ নানা ধরনের যানবাহনে ভরপুর রয়েছে। নেওয়া হচ্ছে ১০গুণ বেশি ভাড়া। আরিফ নামে এক যুবক চাকরি করেন রাজধানীর একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে। ঈদের আগে জানতেন বন্ধ তার কোম্পানি। তারপর গ্রামের বাড়িতে যান তিনি। কিন্তু গতকাল তাকে জানানো হয়েছে কোম্পানি খুলবে। না আসলে চাকরি হারাতে হবে। এ কারণে কষ্ট করে ঢাকায় ফেরা হচ্ছে বলে জানান তিনি। ছকিনা আক্তার যাচ্ছেন গাজীপুরে। পথে পথে হয়রানি আর হেঁটে ঘাটে আসেন দৌলতদিয়ায়। তারপর ফেরি চন্দ্র মল্লিকাতে গাদাগাদি করে পার হন তিনি। এ নারী আরও জানান, ১০টাকার ভাড়া দিতে হয়েছে ১০০ টাকা করে। না গেলে হারাতে হবে চাকরি। কাজ হারানোর ভয়ে ফিরতে হচ্ছে, এখন কী করব? কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই ঢাকার দিকে মানুষের ঢল নেমেছে। কারণ একটাই -কাজ হারানো ভয়ে তারা ছুটছেন রাজধানীসহ আশপাশের শহরগুলোর দিকে। গাজীপুরে যাওয়ার জন্য যুদ্ধ করছেন এরকম অনেক নারী।   পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক সালাম মিয়া জানান,  এই নৌরুটে ছোট-বড় ৯টি ফেরি চলাচল করছে। জরুরি পরিবহনের গাড়ি ছাড়াও ছোট ছোট যাবাহনও ফেরি পার হচ্ছে। দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরসে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েই চলেছে। সোমবার (২৬ জুলাই) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১০৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবুও মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা গেছে।ঈদ উপলক্ষে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল করা হয়। যা শেষ হয় বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই)। শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে আবারও শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন। চলবে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।