• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

চামড়া ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হলো ধানক্ষেত থেকে

Reporter Name / ১৯৬ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১

চাঁদপুরে শাহরাস্তিতে বেলায়েত হোসেন নামে এক চামড়া ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জুলাই) উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বেলায়েত উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত মৌলভী মোকসেদুর রহমানের ছেলে। পুলিশের ধারণা, গলায় কিছু পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর তার ফোনটি ও ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) ঈদের দিন বিকেলে শ্বশুর বাড়ি থেকে আসা স্বজনদের এগিয়ে দিতে স্থানীয় যাদবপুর বাজারে যান বেলায়েত। কিন্তু রাত ১টা পর্যন্ত তিনি বাসা ফিরে আসেননি। পরে স্ত্রী কুলসুম বেগম তার ফোনে কল দিলে পরপর দুইবার রিং হলেও পরে ফোন বন্ধ পান। শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকালে তাদের পাশের বাড়ির এক নারী ধানক্ষেতের পাশে ছাগল চরাতে গিয়ে বেলায়েত হোসেন রিপনের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান স্বজনরা। তারপরই সংশ্লিষ্ট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম চৌধুরীসহ তিনি ঘটনাস্থলে যান। দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত বেলায়েত হোসেন রিপনের স্ত্রী কুলসুমা বেগম জানান, তার স্বামী মূলত কৃষি কাজ করতেন। এবারই প্রথম কোরবানির পশুর চামড়া কেনার ব্যবসা শুরু করেন। পরিবারে তাদের এক ছেলে এবং দুইটি মেয়ে রয়েছে। চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায় জানান, হত্যার ঘটনা অনুসন্ধানে পুলিশ মাঠে নেমেছে। একই সঙ্গে নিহতের কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া ফোন বন্ধ থাকলেও তার অবস্থান নিশ্চিত হতে এরইমধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করা হয়েছে জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ জানান, হত্যাকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকুক না কেন। আপাতত তারা গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের হাতে ধরা পড়তেই হবে।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিকেলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।