• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

উপচেপড়া ভিড় পড়েছে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১

ঈদের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ছিল ঘরমুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড়। কঠোর বিধিনিষেধের কয়েক ঘণ্টা আগেও লোকে লোকারণ্য ছিল কাউন্টারগুলো। শেষ মুহূর্তে বাড়ি ফেরার টিকিট মিললেও সময়মতো বাস না ছাড়ায় অনেককে পোহাতে হয়েছে চরম দুর্ভোগ।

গভীর রাতে নগরীর বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখে মনে হতে পারে ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে বাড়ি ফেরার তোড়জোড়।  কিন্তু না; করোনা সংক্রমন নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধে ১৪ দিন বন্ধ থাকছে প্রায় সবকিছুই। ঈদের পরের রাতেও তাই উপচেপড়া ভিড় রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে। কঠোর বিধিনিষেধের ফাঁদে নগরীতে অলস সময় কাটানোর চেয়ে পরিবারের সঙ্গে থাকতেই শেষ মুহূর্তে রাজধানী ছাড়েন সাধারণ মানুষ। অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়ায় ছাড়েন কর্মব্যস্ত এই শহর। শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া এক যাত্রী বলেন, ১৪ দিনের যে লকডাউন দেয়া হয়েছে, তাতে ঢাকাতে চলতে কমপক্ষে তিন হাজার টাকা প্রয়োজন, এই তিন হাজার টাকা আমাকে কে দেবে? এর চেয়ে ভালো গ্রামে গিয়ে মা-বাবার সঙ্গে ডাল-ভাত খেয়ে অন্তত বেঁচে থাকতে পারব। লকডাউনে ঘরে ফেরা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লকডাউনে সব কিছু বন্ধ থাকবে। যানবহনও চলবে না। তাই রাজধানী আটকে পড়ার চেয়ে আগেভাগেই গ্রামের উদ্দেশ্যে ছুটছেন তারা। ঈদের ছুটিতে কেউ কেউ এসেছিলেন পরিবারের সঙ্গে উৎসবে যোগ দিতে। কিন্তু সব বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে ছোটেন ঢাকার বাইরে নিজ কর্মস্থলে। ছুটিতে ঢাকায় আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে পরদিনই কর্মস্থলে ছুটলেন কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আমার জব স্টেশন পটুয়াখালিতে। লকডাউনে কর্মস্থল ছেড়ে আসা যাবে না, তাই ঈদের পরদিনই চলে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে ফিরতি বাস এসে না পৌঁছানোয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাউন্টারের সামনে বসে থাকতে দেখা যায় যাত্রীদের, পড়তে হয় দুর্ভোগে। কাউন্টারের কর্মচারীরা বলেন, সড়কে যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে বাস ছাড়া যায়নি। গাবতলী দিগন্ত পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার জানান, আমিনবাজারে জ্যাম থাকায় গাড়ি পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। দুই-তিন ঘণ্টা পর্যন্ত গাড়ি পৌঁছাতে দেরি করছে। অন্যদিকে সংখ্যায় কম হলেও কঠোর বিধিনিষেধ শুরুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ঢাকায় ফিরতে দেখা যায় কর্মজীবী মানুষদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।