• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

পুরো দেশে ৮৩ জনের করোনা-উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১

দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েই চলেছে। শনিবার (১৭ জুলাই) এক  রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুরো দেশে ৮৩ জন করোনা-উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ।

ময়মনসিংহ:

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজশাহী:
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) শুক্রবার সকাল  ৮টা থেকে শনিবার  সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের ৮জন করোনা আক্রান্ত হয়ে বাকিরা উপসর্গ ও নেগেটিভ হওয়ার পর মারা গেছেন ৮ জন। হাসপাতালে মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ৯ জন, পাবনার ৩ জন, নাটোর ও কুষ্টিয়ার একজন করে দুই জন মারা গেছেন। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনার আক্রান্ত হয়ে ৬৬ জন ভর্তি হয়েছেন। নতুন রোগীদের মধ্যে রাজশাহী থেকে ৩০ জন, নাটোরের ২০ জন, নওগাঁর ৭ জন, পাবনার ০৪ জন, কুষ্টিয়ার ৪ ও চুয়াডাঙ্গা থেকে একজন ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে ২৭ জন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার জন্য নির্ধারিত ৪৫৪টি শয্যার মধ্যে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫২৭ জন। আর ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের দুটি আরটি পিসিআর ল্যাবে ৪০১ জনের নমুনা যাচাই করে ১২৮ জনের মধ্যে করোনা পাওয়া যায়। যা ৩১.৯২ শতাংশ।  গত জুন মাসে এ হাসপাতালটিতে ৩৫৪ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া:
কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও তিনজন।
একই সময়ে ২৮০টি নমুনা পরীক্ষায় ৮৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ মৃত্যু ও শনাক্ত হয়।
এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১০ জন মারা গেছেন। উপসর্গ নিয়ে মারা যান তিন জন। একই সময়ে ৭৩৫টি নমুনা পরীক্ষায় ২০৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ছিল ২৭ দশমিক ৬২ শতাংশ।
করোনা ডেডিকেটেড কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আশরাফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ২০০ শয্যার করোনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩০৪ জন এবং হোম আইসোলেশনে আছেন তিন হাজার ৫৪৬ জন।
কুষ্টিয়ায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৭৬২ জন। জেলায় মোট মারা গেছেন ৩৮৭ জন।
বরিশাল :
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১২ জন। এরমধ্যে পজেটিভ ছিল ৩ জনের। তারা হলেন: বরিশালে ৬ জন, ঝালকাঠির একজন, বরগুনার দুই জন, পটুয়াখালী একজন, পিরোজপুর দুইজনের। শনাক্তের হার ৬০.১২।
২৪ ঘণ্টায় বরিশাল জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা ১০৪ জন। এরমধ্যে ৯৩ জনই সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা। জেলায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন। এরমধ্যে ৫ জন পজেটিভ। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২৫৩ জন। এরমধ্যে পজেটিভ ৮৪ জনের।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৯ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ১৪১ জনই পজেটিভ।
২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে ৫৬০৮ জন। এরমধ্যে পজেটিভ ১৬৪৭ জন। এই সময় মোট মারা গেছে ৮৯৯ জন। আর পজেটিভ ছিল ২৪৬ জন। জেলায়  ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ১০৭৮৮ জন। শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৪৪ জনের।
চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গায় করোনা ও উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হঠাৎ করে চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত রোগী শানাক্তের হার বেড়ে ৮১.৪৮ শতাংশ হয়েছে। আর একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ জন ও উপসর্গে ৩ জন। ৫৪ জনের করোনা পরীক্ষা করে ৪৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাতক্ষীরা:
গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯২ জন। শনাক্তের হার ৪৮.৯৩ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।