• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

নরসিংদীর সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ নিহত ৬

Reporter Name / ১৯৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

নরসিংদীতে কাভার্ডভ্যান ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৭ জন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে পাঁচদোনা-টঙ্গী আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাটপাড়া চাকশাল মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী ঝরনা বেগম (৩০) ও তার ছেলে আলামিন (১০), গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার মোজাফফর হোসেনের ছেলে চাঁন মিয়া (৫৫), লেগুনাচালক নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার আ. হান্নানের ছেলে আমান মিয়া (২৩) ও অজ্ঞাত দুই জন পুরুষ।

পুলিশ জানায়, পাঁচদোনা থেকে একটি কাভার্ডভ্যান টঙ্গীর দিকে যাচ্ছিল। কাভার্ডভ্যানটি পাঁচদোনা-টঙ্গী আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাটপাড়া চাকশাল মোড়ে পৌঁছলে বিপরীত দিক ঘোড়াশাল থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী লেগুনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় লেগুনার সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে গিয়ে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন মারা যান। আহত হন আরও ১১ জন।  আহতদের পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় নরসিংদীর বেলাব উপজেলার বটশ্বের গ্রামের খলিলুল্লাহ পাঠানের ছেলে হাফিজুল্লাহ পাঠানকে (৪৫) ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেয়া হয়। দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা এ পথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।

পাঁচদোনা ফাঁড়ির ইনচার্জ ইউসুফ মিয়া বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে ২ জন ও হাসপাতালে আরও ৪ জন মারা যান। ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি আটক করা হয়েছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইনামুল হক সাগর জানান, এ দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ মোট ৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭ জন। এদের মধ্যে ৪ জনের নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। বাকি হতাহতদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা করছে পুলিশ। নিহতদের মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।