• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বরিশালে পুলিশ সদস্যকে মারধর

Reporter Name / ১৮৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

বরিশালে শ্রমিকদের বাস ধর্মঘটে ব্যবহৃত ব্যারিকেড সরানো নিয়ে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ফারুখ নামে এক পুলিশ কনস্টেবল ব্যাপক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই পুলিশ সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিভিলে থাকা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় কর্মরত কনস্টেবল ফারুখ বাস ধর্মঘটে ব্যবহৃত ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করেন। এ নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে ফারুখসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ সদস্যরা জুয়েল নামে এক শ্রমিককে মারধর করলে সংঘর্ষ বাধে এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।  এতে পুলিশ সদস্য ফারুখ, বাস শ্রমিক জুয়েল ও রাহাত আহত হন। পরে পুলিশ সদস্যরা টার্মিনালের পাশেই থাকা জালাল আহম্মেদ পুলিশ বক্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। কিছুক্ষণ পর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের শান্ত করেন শ্রমিক নেতারা।

বাস শ্রমিক জুয়েল বলেন, যেহানে আমাগো ধর্মঘট চলতে আছে সেইহানে উনি আইসা আমাগো ব্যারিকেড উঠাইছে। উনি পুলিশ কিনা তাও তো বুঝি নাই। গোল গলার একটা টি-শার্ট পইরা উনি হুমকি-ধামকি দেতেছিল। আমরা এইটার প্রতিবাদ করলে আমাগো গালিগালাজ করে আর মারেও। এই নিয়া একটু সমস্যা হইছে।

পুলিশ কনস্টেবল মো. ফারুখ বলেন, আমি খাবার নিয়ে থানার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোকজন আমার ওপর চড়াও হয়। এরপর আমাকে ব্যাপক মারধর করে। বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে বলেন, হতে পারে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি বিস্তারিত জানি না। খবর নিয়ে দেখব।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।