• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে টেকনাফে রোহিঙ্গা নিহত

Reporter Name / ১৮০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

কক্সবাজারে র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে টেকনাফে রোহিঙ্গা ডাকাতদল ‘হাসেম বাহিনীর’ প্রধান নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র ও গুলি।

র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ জানান, শুক্রবার (১৬ জুলাই) ভোর রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত মোহাম্মদ হাসিমুল্লাহ (৩০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মৃত আবুল বশরের ছেলে। র‍্যাব জানিয়েছে, হাসিমুল্লাহ একজন চিহ্নিত ডাকাত। তিনি নিজের নামে একটি ডাকাতদল গড়ে তোলেন। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ডাকাতি, অপহরণ ও হত্যাসহ নানা অপরাধ সাথে জড়িত। উইং কমান্ডার আজিম বলেন, শুক্রবার ভোর রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকায় কতিপয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত অবস্থান করছে, এমন খবরে র‍্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থল পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা অতর্কিত র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্য দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে পাওয়া যায় ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি দেশীয় তৈরি লম্বা বন্দুক, ৮টি গুলি ও ১টি পিস্তলের ম্যাগজিন। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। র‍্যাবের কর্মকর্তা বলেন, হাসিমুল্লাহ’র নেতৃত্বে একটি ডাকাতদল জাদিমুরাসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতি, অপহরণ, মাদকপাচার ও হত্যাসহ নানা অপরাধ সংঘঠিত করে আসছিল। এসব অভিযোগে টেকনাফ থানায় তার বিরুদ্ধে ৫টির অধিক মামলা রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।