• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে বরিশাল থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ

Reporter Name / ১৮৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

লকডাউন শিথিলের পর বাস চলাচল শুরুর একদিনের মাথায় শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এক শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে বরিশালের দুই বাস টার্মিনাল থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে পৃথক দুই বাস মালিক সমিতি। শ্রমিকরা জানান, বরিশাল জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের দুটি কমিটি নতুনভাবে গঠিত হয়। এর পর থেকে দুগ্রুপ শ্রমিক নেতাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় ছোটখাটো মারামারি ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টার্মিনাল ভবনের নিচতলায় কাউন্টারের সামনে সুলতান মাহমুদ ও সহিদুল ইসলাম টিটুর নেতৃত্বাধীন কমিটির শ্রমিকদের সঙ্গে পরিমল চন্দ্র দাস ও শাহারিয়ার বাবুর নেতৃত্বাধীন কমিটির শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  এতে পরিমল ও বাবু গ্রুপের বেশ কয়েকজন আহত হয়। এর পরপরই গোটা বাস টার্মিনাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায় চার ঘণ্টার জন্য। এর পর পরিমল ও বাবু নেতৃত্বাধীন শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে পুলিশ সুলতান মাহমুদসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগে।  পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুলতান মাহমুদসহ হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে চার ঘণ্টা পর বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।  তবে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করায় আজ সকাল থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ ও রুপাতলী টার্মিনাল থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। রুপাতলী মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন শিপন বলেন, সুলতান মাহমুদ তার লোকজন নিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করেছে বৃহস্পতিবার। বাস চলাচল বন্ধ করে দিলে পুলিশের আশ্বাসে বাস চলাচল স্বাভাবিক করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারী সুলতান মাহমুদসহ সবাইকে গ্রেফতারে আলটিমেটাম দেওয়া হয়। তবে তারা গ্রেফতার না হওয়ায় রুপাতলী থেকে ১৭ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে বলেন, আমাদের বাস মালিক নেতা ও শ্রমিক নেতাদের মারধর করেছে সুলতান মাহমুদ ও তার লোকজন। তাদের গ্রেফতারে আশ্বাস দেওয়া হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও। তাই বরিশাল থেকে অভ্যন্তরীণ ১৪ রুটসহ ঢাকা ও দূরপাল্লার রুটে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সুলতান মাহমুদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেফতার করা না হলে বাস বন্ধই থাকবে। এদিকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের সামনে ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা মালিক সমিতি ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি বিষয়টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।