• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা ও মনোবল বেড়েছে-সেনাপ্রধান

Reporter Name / ১৮৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১

অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এতে সদস্যদের মনোবলেও বহুলাংশে পরিবর্তন এসেছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকালে সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২১ (প্রথম পর্ব) সভায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
সেনাসদর মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত বিশেষ এই সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে ভার্চুয়ালি সালাম জানান সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল-২০৩০-এর প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মিঠামইন, রাজবাড়ী এবং ত্রিশালে মিলিটারি প্রশিক্ষণ এরিয়াতে নতুন সেনানিবাস স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সেনাপ্রধান জানান, ‘বিগত ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ফর্মেশনের অধীনে তিনটি ডিভিশন সদর দপ্তর, ১৪টি ব্রিগেড সদর দপ্তর এবং ছোট-বড় ১৫৪ ইউনিট প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এ ছাড়াও ৫৬টি ছোট-বড় ইউনিট অ্যাডহক হিসেবে গঠন করা হয়েছে। এতে করে আমাদের সামরিক শক্তি ও দক্ষতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।’
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সেনাবাহিনীর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ অঙ্গনে বিপুলভাবে নানাবিধ উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যা আমাদের সামগ্রিক সক্ষমতাকে বহুলাংশে বৃদ্ধি করেছে। সেনাবাহিনীকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আপনার মেয়াদকালে প্রচুর অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজিত হয়েছে। এই অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি সংযোজনের ফলে সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা ও যুদ্ধোপযুক্ততা এবং সেনা সদস্যদের মনোবলও বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি জানান, ‘সেনাবাহিনীতে অটোমেটিক গ্রেনেড লঞ্চার, সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল, অ্যাসল্ট রাইফেল, নাইট ভিশন ডিভাইস, ট্যাংকের জন্য সিমুলেটর, অত্যাধুনিক রাডার কন্ট্রোল সিস্টেমসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরঞ্জামাদি ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর সবই সম্ভব হয়েছে আপনার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, দূরদর্শিতা এবং প্রজ্ঞার কারণে।
উচ্চতর পদে পদায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি মেনেই সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতিও দেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে প্রচলিত কর্মকাণ্ডের মধ্যে সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ ইভেন্ট। সেনাবাহিনীর উচ্চতর পদসমূহে যোগ্য অফিসারদের এই পর্ষদের মাধ্যমে পদোন্নতি প্রদানের মহান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আমি আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) নিশ্চয়তা প্রদান করছি, এই নির্বাচনী পর্ষদ সততা, কর্তব্যবোধ, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সর্বাত্মক সচেষ্ট থাকবে এবং পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পদোন্নতি পর্ষদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পর্ষদ বেশ কয়েকটি সভার মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে উচ্চতর পদে কর্মকর্তাদের পদায়ন কার্যকর করবে। করোনা মহামারির মধ্যেও নির্বাচনী পর্ষদের এই সভা আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।