• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মোবাইলের রং নম্বরে প্রেম,পরে গণধর্ষণ

Reporter Name / ১৮২ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরগঞ্জের এক গৃহবধূকে (২৫) সিলেটে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) পৃথক অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিলেট এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) আশরাফুল্যা তাহের জানান, মোবাইলের রং নাম্বারে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরিচয় হয় সিলেট এয়ারপোর্ট থানার লাউগুল গ্রামের মৃত হামিদ মিয়ার ছেলে জামেদ আহমদ জাবেদের (৩৬)। পরে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূকে বিয়ে ও তার দুই সন্তানকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করবে এই প্রলোভন দেখায় জাবেদ। অবশেষে গত ১০ জুলাই ভিকটিমকে ফুসলিয়ে সিলেট নিয়ে আসে জাবেদ।  
গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূ সিলেটে আসলে তাকে এয়ারপোর্ট থানার খাদিমনগর ইউনিয়নে বুরজান চা-বাগানের সুন্দর মরাকোণা টিলার ওপর একটি ছাউনিতে নিয়ে যান জাবেদ। সেখানেই আগ থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জাবেদের সহযোগী এয়ারপোর্ট থানার ফড়িংউরা গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে ফয়সল আহমদ (২২), বাজারতল গ্রামের ইসরা হালিমের ছেলে রাসেল আহমদ (২৪) ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শুক্কুরের বাজার এলাকার জামিল আহমদসহ (২২) চারজন মিলে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের পরও ওই গৃহবধূকে আটকে রাখেন জাবেদ ও তার সহযোগীরা। দু’দিন আটকে রাখার পর ১৩ জুলাই ভোরে ঘটনাস্থলে যান জাবেদের সহযোগী আরও পাঁচ অভিযুক্ত ধর্ষক। তারা হলেন-  এয়ারপোর্ট থানার ফড়িংউরা গ্রামের মুজিবুরের ছেলে রুবেল (২৫), কামাল উদ্দিনের ছেলে ইমাম (২৫), ইশরাক আলীর ছেলে ফারুক (২৩), মৃত ফুল মিয়ার ছেলে মো. মোশাহিদ আহমদ (২৭) ও জামালের ছেলে আবুল (২৬)। পরে এই পাঁচজনও ভিকটিমকে গণধর্ষণ করেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ওই গৃহবধূ কৌশল করে সেখান থেকে পালিয়ে এসে এক পথচারীর মাধ্যমে পুলিশে খবর দিলে এয়ারপোর্ট থানার একদল পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে। তার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জাবেদ ও মো. মোশাহিদ আহমদকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ফয়সল আহমদ ও রাসেল আহমদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ভিকটিমকে উদ্ধারের পর পুলিশ তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিসে (ওসিসি) ভর্তি। গ্রেপ্তারকৃতদের বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।