• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সন্ধ্যার মধ্যে সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নাহিদের ভোটকেন্দ্রে ফোন নেয়ার প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে আগামীকাল ইসি ঘেরাও: জামায়াত আমির কেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং-জালিয়াতির আশঙ্কা হাসনাতের আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির

কেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং-জালিয়াতির আশঙ্কা হাসনাতের

Reporter Name / ২০ Time View
Update : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিজাইডিং অফিসারসহ নির্দিষ্ট ৩ শ্রেণির কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না— ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় এমন কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এমন কঠোর নির্দেশনায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং-জালিয়াতির আশংকা করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে ফেসবুকে হাসনাত আব্দুল্লাহর ভেরিফাইড প্রোফাইলে এই আশংকার কথা জানান।

তিনি লিখেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

তিনি আরও লিখেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হইলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।
হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সাথে সাথেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়ত এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা সুস্পষ্টভাবে ভোট চু/রির সুযোগ করে দেয়া। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।