তিনি বলেন, ‘আমার মনোনয়নটা আপাতত গৃহীত হয়নি। আমরা আপিল করবো, আপিলের প্রক্রিয়া আমরা এরইমধ্যে শুরু করেছি।’
তিনি বলেন, ‘কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য বিধি অনুযায়ী এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিতে হয়, সে অনুযায়ী যা ভোটার হয়, আমরা তার চেয়ে বেশিই সাবমিট করেছি। প্রায় ২০০ এর মতো বেশি ছিল। সেখান থেকে উনারা ১০ জনের ভেরিফিকেশন করতে গিয়েছেন, তার মধ্যে আটজনের তথ্য সঠিক পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাকি দুইজনের ক্ষেত্রে তারা মানুষটাকে খুঁজে পেয়েছেন, সত্যতা যাচাই করতে পেরেছেন কিন্তু সে দুইজন ঢাকা-৯ এর ভোটার ছিলেন না। উনারা জানতেন না, তারা ঢাকা-৯ এর ভোটার। একজনের বাসা খিলগাঁও। আর খিলগাঁও যেহেতু ঢাকা-৯ ও ঢাকা-১১ দুইটা আসনেই পড়ে, সেজন্য তিনি ঢাকা-৯ এর ভোটার হিসেবেই নিজেকে জানতেন। অন্যজনের ক্ষেত্রে প্রায় একইরকম অবস্থা। কিন্তু ভোটারদের জন্য জানার কোনো উপায় ছিল না যে তারা কোন আসনের ভোটার।’






















