• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাজশাহীতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জালে আটক দুই যুবক

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন মোঃ আবির হোসেন (২৯) ও মোঃ রাজন আলী (২৮)। মোঃ আবির হোসেন রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার মেহেরচণ্ডি পূর্বপাড়া এলাকার মোঃ আবুল কালামের ছেলে এবং মোঃ রাজন আলী চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডি মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

আরএমপি সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক মোস্তাক আহম্মেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গোয়েন্দা শাখার একটি টিম চন্দ্রিমা থানার দায়রাপার্ক এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে জানা যায়, মতিহার থানার খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় ৪ জন ব্যক্তি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছিনতাইকারীগণ পালানোর চেষ্টা করা কালীন আবির ও রাজনকে আটক করা হলেও অপর ২জন কৌশলে পালিয়ে যায়।

আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল সদৃশ ফায়ার লাইটার, একটি পিস্তল কভার ও একটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেন যে, তারা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মতিহার থানায় মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক সহযোগী আসামিদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।