• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

তারেক রহমানের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ তারেক রহমানের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেয়া হয়েছে সব ধরনের ব্যবস্থা। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, দল থেকে তারেক রহমানের নিরাপত্তার সব প্রস্তুতি নিলেও দুশ্চিন্তার জায়গা রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারে ভূমিকাকে মুখ্য মনে করছেন তারা। আর এসব বিবেচনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিরাপত্তায় কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা নেয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

তারেক রহমান নিজেই দেশে ফেরার ঘোষণা দেয়ার মধ্যে দিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেলো ২৫ ডিসেম্বরে ফিরছেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয় সেদিন বেলা ১২টা নাগাদ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের যেটা নিয়মিত ফ্লাইট সেটাতেই তিনি আসছেন। এটার ল্যান্ডিং টাইম ১১টা ৫৫ মিনিট বাংলাদেশ বিমানবন্দরে।’

দেশে ফিরে গুলশানের ১৯৬ নম্বরের এ বাড়িতেই উঠবেন তারেক রহমান, যা ইতিমধ্যে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। নিশ্চিত করা হয়েছে শতভাগ নিরাপত্তা। বাড়ির পুরো আঙ্গিনা ও সড়কেও বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, দেয়াল জুড়ে তারকাঁটা ও নিরাপত্তা রক্ষীদের কঠোর পাহাড়া।

ভূরাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মো. জগলুল আহসান বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের যে আদর্শ সে আদর্শকে ধারণ করে তিনি সামনে নিয়ে যাবেন। এ আদর্শকে ধারণ করতে গেলে বা সে অনুযায়ী কাজ করতে গেলে রিজিওনাল কোনো পাওয়ারের কোনো স্বার্থ আঘাত হানবে কী না এগুলো কিন্তু ভাবার অবকাশ রয়েছে। চায়না, ইউএসএ এবং ইন্ডিয়া তারা ইন্ডিয়া স্টেটস পাওয়ারে জড়িত যেখানে বাংলাদেশে একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। সেখানে নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা নিজেদের একটা সরকার রাখার চেষ্টা সবসময় করবে।’

তবে সম্প্রতি ওসমান হাদির ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের ভূমিকাই সবচেয়ে মুখ্য বলে মনে করেন এ বিশ্লেষক। এছাড়াও তারেক রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদারে কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা নেয়ার পরামর্শ তার।

কর্নেল মো. জগলুল আহসান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এসএসএফের প্রটোকল দেয়া হয়েছে৷ সেভাবে রাষ্ট্র চিন্তা করলে তাকেও সেরকম এসএসএফ বা সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা প্রটোকল দেয়া যেতে পারে। কিছু ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটির বিষয় থাকে, কিছু ইন্টারনাল সিকিউরিটির ব্যাপার থাকে, অর্গানাইজেশন থাকে সেগুলোর মাধ্যমে কিন্তু ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। সবভাবে আপনাকে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

নির্বাচন সামনে রেখে ক্ষমতার পালাবদলের রাজনীতি যখন দৃশ্যমান, সর্বত্র দেশের নিরাপত্তা নিয়ে নেতিবাচক প্রশ্ন, সেসময় বিএনপির প্রধান নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত কতটা সম্ভব সে প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।