• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা আয়ারল‍্যান্ডের সঙ্গে সিরিজে সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়েছে আমদানি, নেই জাহাজ জট ঢাবিতে কাল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু জেলখানায় খালেদা জিয়ার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিলো- রিজভী ফরিদপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক খালেদা জিয়াকে সিঙ্গাপুর বা ইউরোপে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে-মাহমুদুর রহমান মান্না জামায়াতের নায়েবে আমির হলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা এবি পার্টির মাজার জিয়ারত করে প্রচারণায় নামলেন মিজানুর রহমান মিনু

ফরিদপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ফরিদপুরের সালথায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এতে একটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা জড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। এ ছাড়া বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে।

আজ শনিবার সকালে (২৯ নভেম্বর) উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়াগট্টি বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে আশপাশের কয়েকটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ওই ইউনিয়নের নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। দুজনই ফরিদপুর-২ আসনের বিএনপির প্রাথমিক তালিকাভুক্ত প্রার্থী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর সমর্থক।

তাঁরা সকাল ৭টার দিকে দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সরকি ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আরও কয়েক গ্রামের লোকজন এই সংঘর্ষে যোগ দেয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০০ জন আহত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত ব্যক্তিদের অনেকে বাড়িতে আটকা পড়েছেন এবং বেশ কিছু বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
হাবেলি গট্টি গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব বাসিন্দা আলেপ শেখ আহত হয়ে নিজ বাড়িতে আটকা রয়েছেন। তিনি নুরু মাতুব্বর গ্রুপের সমর্থক। বেলা সাড়ে ১১টায় কবির হোসেন নামে তাঁর এক স্বজন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার শ্বশুর বৃদ্ধ মানুষ, সকালে বাড়িতে ছিলেন। তাঁর পায়ে একাধিক কোপ দেওয়া হয়েছে। বাড়ি থেকে উদ্ধারও করা যাচ্ছে না।’

এদিকে জাহিদ মাতুব্বর গ্রুপের সমর্থক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের নেতৃত্বে বালিয়া বাজার-সংলগ্ন ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তির পাঁচটি গরু লুট করে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

ওসির দায়িত্বে থাকা সালথা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মারুফ হাসান বলেন, ‘পুলিশ ও সেনাবাহিনী মিলে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।